বাড্ডায় আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো দল মুখে দুর্নীতি দমনের স্লোগান দিলেও বাস্তবে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়ে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এভাবে ঋণখেলাপিদের তোষণ করে কীভাবে দেশে দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত বিশাল এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাড্ডা-রামপুরা তথা ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, যারা ব্যাংক লুটেরা ও ঋণখেলাপিদের নিজেদের দলের ছায়াতলে স্থান দেয়, তারা কখনোই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর কিছু করতে পারে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষ এখন অনেক সচেতন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের লাল কার্ড দেখিয়ে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে যে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে, তা ধরে রাখতে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। যারা কেবল ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেয়, তারা আসলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পরিবর্তে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত।
জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের তাদের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে সব ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি এবং প্রশাসনিক দুর্নীতি চিরতরে নির্মূল করা হবে।
জনসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাড্ডা এলাকায় বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাড্ডায় আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো দল মুখে দুর্নীতি দমনের স্লোগান দিলেও বাস্তবে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়ে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এভাবে ঋণখেলাপিদের তোষণ করে কীভাবে দেশে দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত বিশাল এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাড্ডা-রামপুরা তথা ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, যারা ব্যাংক লুটেরা ও ঋণখেলাপিদের নিজেদের দলের ছায়াতলে স্থান দেয়, তারা কখনোই দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর কিছু করতে পারে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষ এখন অনেক সচেতন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের লাল কার্ড দেখিয়ে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে যে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে, তা ধরে রাখতে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। যারা কেবল ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেয়, তারা আসলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পরিবর্তে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত।
জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের তাদের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে সব ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি এবং প্রশাসনিক দুর্নীতি চিরতরে নির্মূল করা হবে।
জনসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাড্ডা এলাকায় বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন