গৃহযুদ্ধকবলিত সুদানের উত্তর কর্দোফান রাজ্যে আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ড্রোন হামলায় অন্তত ২৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হওয়া এসব নাগরিকদের মধ্যে আটটি শিশু রয়েছে যাদের মধ্যে দুজন আবার নবজাতক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে শনিবার উত্তর কর্দোফানের রাহাদ শহরের কাছে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী ভুক্তভোগীরা দুইবাইকার এলাকার সহিংসতা থেকে বাঁচতে একটি গাড়িতে করে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে যাচ্ছিলেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডক্টরস নেটওয়ার্ক এই হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে শুক্রবারও এই অঞ্চলে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর (ডব্লিউএফপি) ত্রাণবাহী ও জ্বালানিবাহী একটি বহরে ধারাবাহিক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। সেই হামলায় একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হন। মানবিক সহায়তা নিয়ে বহরটি কোস্তি থেকে এল-ওবেইদ শহরের দিকে যাচ্ছিল যেখানে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ চরম খাদ্য সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।
উত্তর কর্দোফান রাজ্য সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আরএসএফ নেতাদের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটির রাজধানী এল-ওবেইদ ও প্রতিবেশী রাজ্য হোয়াইট নীলের মধ্যবর্তী সংযোগ সড়কে লড়াই তীব্রতর হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল ও ত্রাণ সরবরাহ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী আরএসএফের মধ্যে গত তিন বছর ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে উত্তর দারফুরের পতনের পর থেকে লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু এখন কর্দোফান অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়েছে। অব্যাহত এই সংঘাতের কারণে দেশটির বিশাল অংশে এখন দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গৃহযুদ্ধকবলিত সুদানের উত্তর কর্দোফান রাজ্যে আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ড্রোন হামলায় অন্তত ২৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হওয়া এসব নাগরিকদের মধ্যে আটটি শিশু রয়েছে যাদের মধ্যে দুজন আবার নবজাতক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে শনিবার উত্তর কর্দোফানের রাহাদ শহরের কাছে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী ভুক্তভোগীরা দুইবাইকার এলাকার সহিংসতা থেকে বাঁচতে একটি গাড়িতে করে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে যাচ্ছিলেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডক্টরস নেটওয়ার্ক এই হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে শুক্রবারও এই অঞ্চলে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর (ডব্লিউএফপি) ত্রাণবাহী ও জ্বালানিবাহী একটি বহরে ধারাবাহিক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। সেই হামলায় একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হন। মানবিক সহায়তা নিয়ে বহরটি কোস্তি থেকে এল-ওবেইদ শহরের দিকে যাচ্ছিল যেখানে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ চরম খাদ্য সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।
উত্তর কর্দোফান রাজ্য সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আরএসএফ নেতাদের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটির রাজধানী এল-ওবেইদ ও প্রতিবেশী রাজ্য হোয়াইট নীলের মধ্যবর্তী সংযোগ সড়কে লড়াই তীব্রতর হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল ও ত্রাণ সরবরাহ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী আরএসএফের মধ্যে গত তিন বছর ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে উত্তর দারফুরের পতনের পর থেকে লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু এখন কর্দোফান অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়েছে। অব্যাহত এই সংঘাতের কারণে দেশটির বিশাল অংশে এখন দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন