বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যদি গ্রহণ করে তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানদেরও বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের সাথে এক আলাপকালে তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই অবস্থান ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের রাজনীতিতে ফেরার কোনো সুযোগ থাকবে কি না। জবাবে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "যদি জনগণ কাউকে গ্রহণ করে এবং মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার আছে।" তিনি মূলত জনগণের রায়কেই রাজনৈতিক বৈধতার প্রধান মাপকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকার গঠনের দৌড়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেছেন। তার সন্তানরাও বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই জটিল আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তারেক রহমান তাদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি জনগণের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেন।
সংবাদ বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে যখন আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠ থেকে দূরে রাখার দাবি জোরালো হচ্ছে, অন্যদিকে বিএনপির শীর্ষ নেতার এমন মন্তব্যকে অনেকেই ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক উদারতা হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যদি গ্রহণ করে তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানদেরও বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের সাথে এক আলাপকালে তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই অবস্থান ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের রাজনীতিতে ফেরার কোনো সুযোগ থাকবে কি না। জবাবে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "যদি জনগণ কাউকে গ্রহণ করে এবং মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারও রাজনীতি করার অধিকার আছে।" তিনি মূলত জনগণের রায়কেই রাজনৈতিক বৈধতার প্রধান মাপকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকার গঠনের দৌড়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেছেন। তার সন্তানরাও বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই জটিল আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তারেক রহমান তাদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি জনগণের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেন।
সংবাদ বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে যখন আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠ থেকে দূরে রাখার দাবি জোরালো হচ্ছে, অন্যদিকে বিএনপির শীর্ষ নেতার এমন মন্তব্যকে অনেকেই ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক উদারতা হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন