যশোরে এক নির্বাচনী পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ভোটাররা বুকে ধানের শীষের প্রতীক লাগিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, কিন্তু ভোট দেবেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) যশোরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ১১ দলীয় জোটের আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি যশোরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের আহ্বান জানান।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এ নির্বাচন জাতিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। এক পক্ষ ভারতীয় প্রভাবের অধীনে থেকে ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরোধিতা করছে, অন্য পক্ষ জুলুম, অন্যায় ও বিদেশি নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতি আর গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকতে চায় না।
ইনকিলাব মঞ্চে পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগত নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবক। গত ১৭ বছরে যারা একটি দলের গোলামি করেছে, জুলাই বিপ্লবে তাদের পরিণতি সবাই দেখেছে।
তিনি এ নির্বাচনকে জাতির কলঙ্ক মোচনের সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আগামী বাংলাদেশ কেমন হবে তা এই ভোটের ওপর নির্ভর করছে। একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার মধ্যে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে এবং ফলাফল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে না সরে থাকতে হবে।
পথসভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর যশোর সদর-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের, জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, অধ্যাপক শামসুজ্জামান এবং এনসিপির নেতা সাকিব শাহরিয়ার। বক্তারা একযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরে এক নির্বাচনী পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ভোটাররা বুকে ধানের শীষের প্রতীক লাগিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, কিন্তু ভোট দেবেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) যশোরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ১১ দলীয় জোটের আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি যশোরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের আহ্বান জানান।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এ নির্বাচন জাতিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। এক পক্ষ ভারতীয় প্রভাবের অধীনে থেকে ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরোধিতা করছে, অন্য পক্ষ জুলুম, অন্যায় ও বিদেশি নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতি আর গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকতে চায় না।
ইনকিলাব মঞ্চে পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগত নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবক। গত ১৭ বছরে যারা একটি দলের গোলামি করেছে, জুলাই বিপ্লবে তাদের পরিণতি সবাই দেখেছে।
তিনি এ নির্বাচনকে জাতির কলঙ্ক মোচনের সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আগামী বাংলাদেশ কেমন হবে তা এই ভোটের ওপর নির্ভর করছে। একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার মধ্যে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে এবং ফলাফল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে না সরে থাকতে হবে।
পথসভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর যশোর সদর-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের, জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, অধ্যাপক শামসুজ্জামান এবং এনসিপির নেতা সাকিব শাহরিয়ার। বক্তারা একযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন