শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ঢাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠনের সক্ষমতা রাখে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরকার গঠন বাস্তবসম্মত নয়। তাঁর ভাষায়, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে সরকার গঠন করলে সংসদে কার্যকর বিরোধীদলের প্রশ্ন থেকেই যায়।
সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্ভাব্য জোট বা ঐক্য সরকার গঠনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, তিনি জানেন না জামায়াত কতটি আসনে জয় পেতে পারে। তবে তারা যদি সংসদে বিরোধীদলে থাকে, সে ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা বিএনপির রয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম উঠে আসছে। দলটি একসময় নিষিদ্ধ থাকলেও বর্তমানে আবার সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অতীতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে জোট সরকার পরিচালনা করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশকে স্থিতিশীল রাখতে একটি ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহের কথাও জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়েছে এবং বাকি আসনগুলোতে দলের মিত্ররা প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, দলটি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।
পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে ভারতের পরিবর্তে চীনের দিকে বাংলাদেশ ঝুঁকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদার প্রয়োজন। তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়; বরং বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ বা পক্ষ সবচেয়ে উপযোগী প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারে এলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ একটি ভালো জীবনমান পায়।
রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার সন্তানদের বিদেশ থেকে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে এবং মানুষ যদি স্বাগত জানায়, তাহলে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার অধিকার সবারই রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ঢাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠনের সক্ষমতা রাখে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরকার গঠন বাস্তবসম্মত নয়। তাঁর ভাষায়, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে সরকার গঠন করলে সংসদে কার্যকর বিরোধীদলের প্রশ্ন থেকেই যায়।
সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্ভাব্য জোট বা ঐক্য সরকার গঠনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, তিনি জানেন না জামায়াত কতটি আসনে জয় পেতে পারে। তবে তারা যদি সংসদে বিরোধীদলে থাকে, সে ক্ষেত্রে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা বিএনপির রয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম উঠে আসছে। দলটি একসময় নিষিদ্ধ থাকলেও বর্তমানে আবার সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অতীতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে জোট সরকার পরিচালনা করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশকে স্থিতিশীল রাখতে একটি ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহের কথাও জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়েছে এবং বাকি আসনগুলোতে দলের মিত্ররা প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, দলটি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।
পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে ভারতের পরিবর্তে চীনের দিকে বাংলাদেশ ঝুঁকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদার প্রয়োজন। তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়; বরং বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ বা পক্ষ সবচেয়ে উপযোগী প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারে এলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ একটি ভালো জীবনমান পায়।
রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার সন্তানদের বিদেশ থেকে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে এবং মানুষ যদি স্বাগত জানায়, তাহলে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার অধিকার সবারই রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন