রাশিয়া থেকে তেল কেনার দায়ে ভারতের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ট্রাম্প এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যা ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হচ্ছে। মূলত ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এই চুক্তির ফলে ভারতের ওপর সামগ্রিক শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমে ১৮ শতাংশে নামবে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে দাবি করা হয়েছে যে, ভারত আর রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনবে না এবং এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বাড়াবে। এছাড়া আগামী ১০ বছরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ দূর করতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তবে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনা পুরোপুরি বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এর আগে ভারত জানিয়েছিল, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থেই তারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানির সিদ্ধান্ত বজায় রেখেছে। দুই দেশের এই সমঝোতা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাশিয়া থেকে তেল কেনার দায়ে ভারতের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ট্রাম্প এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যা ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হচ্ছে। মূলত ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এই চুক্তির ফলে ভারতের ওপর সামগ্রিক শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমে ১৮ শতাংশে নামবে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে দাবি করা হয়েছে যে, ভারত আর রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনবে না এবং এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বাড়াবে। এছাড়া আগামী ১০ বছরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ দূর করতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তবে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনা পুরোপুরি বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এর আগে ভারত জানিয়েছিল, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থেই তারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানির সিদ্ধান্ত বজায় রেখেছে। দুই দেশের এই সমঝোতা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন