বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা মাঝবয়সী এক নারী গত জানুয়ারিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার পর ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। মৃত ওই নারী কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন বলে জানা গেছে, যা বাংলাদেশে নিপাহ সংক্রমণের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত।
এই ঘটনার পর আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পরীক্ষা করা হলেও নতুন কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বাংলাদেশে নিপাহ সংক্রমণের বৈশ্বিক বা আন্তর্জাতিক ঝুঁকি কম বলে মূল্যায়ন করেছে ডব্লিউএইচও। তবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও সম্প্রতি নিপাহ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনো দেশ বা অঞ্চলের ওপর ভ্রমণ কিংবা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন নেই।
বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৪৮ জন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রতি বছর ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সংক্রমণের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এই ভাইরাসের সুনির্দিষ্ট কোনো টিকা বা চিকিৎসা না থাকায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কাঁচা খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা মাঝবয়সী এক নারী গত জানুয়ারিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার পর ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। মৃত ওই নারী কাঁচা খেজুরের রস পান করেছিলেন বলে জানা গেছে, যা বাংলাদেশে নিপাহ সংক্রমণের প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত।
এই ঘটনার পর আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পরীক্ষা করা হলেও নতুন কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বাংলাদেশে নিপাহ সংক্রমণের বৈশ্বিক বা আন্তর্জাতিক ঝুঁকি কম বলে মূল্যায়ন করেছে ডব্লিউএইচও। তবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও সম্প্রতি নিপাহ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনো দেশ বা অঞ্চলের ওপর ভ্রমণ কিংবা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন নেই।
বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৪৮ জন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রতি বছর ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সংক্রমণের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এই ভাইরাসের সুনির্দিষ্ট কোনো টিকা বা চিকিৎসা না থাকায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কাঁচা খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন