ভারতের সিকিম রাজ্যে গত কয়েক ঘণ্টায় অন্তত আট থেকে দশবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলেও। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় এই কম্পনে সিকিমের গ্যাংটক, নামচি ও মাঙ্গান এলাকা কেঁপে ওঠে। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) ও ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম বড় কম্পনটি অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৪.৬। এরপর রাত ২টা ২০ মিনিটে ৪.৪ মাত্রা এবং ভোর ৩টা ১১ মিনিটে ৪.০ মাত্রার আরও দুটি মাঝারি কম্পন রেকর্ড করা হয়। শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ছোট আকারের আফটারশক অনুভূত হয়েছে। প্রতিটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে, যা অত্যন্ত অগভীর হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম ও পার্শ্ববর্তী হিমালয় অঞ্চলটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। বড় কোনো কম্পনের পর ধারাবাহিকভাবে ছোট আকারের আফটারশক হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে অগভীর উৎপত্তিস্থল এবং বারবার কম্পনের ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও উত্তরবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের সিকিম রাজ্যে গত কয়েক ঘণ্টায় অন্তত আট থেকে দশবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলেও। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় এই কম্পনে সিকিমের গ্যাংটক, নামচি ও মাঙ্গান এলাকা কেঁপে ওঠে। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) ও ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম বড় কম্পনটি অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৪.৬। এরপর রাত ২টা ২০ মিনিটে ৪.৪ মাত্রা এবং ভোর ৩টা ১১ মিনিটে ৪.০ মাত্রার আরও দুটি মাঝারি কম্পন রেকর্ড করা হয়। শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ছোট আকারের আফটারশক অনুভূত হয়েছে। প্রতিটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে, যা অত্যন্ত অগভীর হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম ও পার্শ্ববর্তী হিমালয় অঞ্চলটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। বড় কোনো কম্পনের পর ধারাবাহিকভাবে ছোট আকারের আফটারশক হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে অগভীর উৎপত্তিস্থল এবং বারবার কম্পনের ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও উত্তরবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন