আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই পাকিস্তান এই ‘কঠিন কিন্তু উপযুক্ত’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের এই সাহসী ও ভ্রাতৃপ্রতিম অবস্থানের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
শাহবাজ শরিফের অনড় অবস্থান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মন্ত্রিসভায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। ভারতের বিপক্ষে আমরা ম্যাচ খেলব না। কারণ, খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয়। আমরা খুব ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি, এটি খুবই সঠিক সিদ্ধান্ত।” এর আগে পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে না খেলার কথা জানালেও এর নেপথ্যের কারণ হিসেবে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে এবারই প্রথম উল্লেখ করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।
আসিফ নজরুলের প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি শাহবাজ শরিফের বক্তব্যটি উদ্ধৃত করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “ধন্যবাদ পাকিস্তান।” তাঁর এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়, যেখানে সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের প্রতি পাকিস্তানের এই নজিরবিহীন সমর্থনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।
প্রেক্ষাপট: আইসিসি ও বাংলাদেশ ইস্যু ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবি তোলে। তবে আইসিসি সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুরু থেকেই সরব ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি), যা এখন রাষ্ট্রীয় বয়কটের রূপ নিল।
আইসিসি ও ভারত-পাক ম্যাচের ভবিষ্যৎ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান মহারণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পাকিস্তানের এই বয়কট ঘোষণার ফলে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হতে পারে, যা আইসিসি এবং সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর জন্য বিশাল আর্থিক ক্ষতির কারণ হবে। আইসিসি ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে এই সিদ্ধান্তের ‘দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব’ সম্পর্কে সতর্ক করলেও শাহবাজ শরিফের সরকার তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই পাকিস্তান এই ‘কঠিন কিন্তু উপযুক্ত’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের এই সাহসী ও ভ্রাতৃপ্রতিম অবস্থানের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
শাহবাজ শরিফের অনড় অবস্থান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মন্ত্রিসভায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। ভারতের বিপক্ষে আমরা ম্যাচ খেলব না। কারণ, খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয়। আমরা খুব ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি, এটি খুবই সঠিক সিদ্ধান্ত।” এর আগে পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে না খেলার কথা জানালেও এর নেপথ্যের কারণ হিসেবে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে এবারই প্রথম উল্লেখ করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।
আসিফ নজরুলের প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি শাহবাজ শরিফের বক্তব্যটি উদ্ধৃত করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “ধন্যবাদ পাকিস্তান।” তাঁর এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়, যেখানে সাধারণ মানুষ বাংলাদেশের প্রতি পাকিস্তানের এই নজিরবিহীন সমর্থনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।
প্রেক্ষাপট: আইসিসি ও বাংলাদেশ ইস্যু ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরানোর দাবি তোলে। তবে আইসিসি সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুরু থেকেই সরব ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি), যা এখন রাষ্ট্রীয় বয়কটের রূপ নিল।
আইসিসি ও ভারত-পাক ম্যাচের ভবিষ্যৎ আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান মহারণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পাকিস্তানের এই বয়কট ঘোষণার ফলে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হতে পারে, যা আইসিসি এবং সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর জন্য বিশাল আর্থিক ক্ষতির কারণ হবে। আইসিসি ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে এই সিদ্ধান্তের ‘দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব’ সম্পর্কে সতর্ক করলেও শাহবাজ শরিফের সরকার তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন