আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয় এবং পাকিস্তান সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বয়কটের মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপের নবম আসর। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তান সরকার গত রোববারই জানিয়েছিল যে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিতে মাঠে নামবে না। বুধবার প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সেই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “আমরা টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। ভারতের বিপক্ষে আমরা ম্যাচ খেলব না। খুব ভেবেচিন্তে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমি মনে করি এটিই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”
আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী অবস্থানের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি শাহবাজ শরিফের মন্তব্য উদ্ধৃত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই পোস্টটি ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, যা দুই দেশের ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সম্পর্কে এক নতুন মাত্রার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আইসিসির উদ্বেগ ও সম্ভাব্য পরিণতি এদিকে পাকিস্তানের এই ‘সিলেক্টিভ পার্টিসিপেশন’ বা বেছে বেছে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে নির্দিষ্ট কোনো দলের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত ক্রীড়া সুলভ আচরণের পরিপন্থী। যদি পাকিস্তান ম্যাচটি বর্জন করে, তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ভারত ‘ওয়াকওভার’ পাবে এবং পাকিস্তান বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ এই ম্যাচটি ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পাকিস্তানের এই অনড় অবস্থানের ফলে টুর্নামেন্টের রাজস্ব ও দর্শকপ্রিয়তা বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয় এবং পাকিস্তান সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বয়কটের মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপের নবম আসর। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ দেয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তান সরকার গত রোববারই জানিয়েছিল যে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিতে মাঠে নামবে না। বুধবার প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সেই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, “আমরা টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। ভারতের বিপক্ষে আমরা ম্যাচ খেলব না। খুব ভেবেচিন্তে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমি মনে করি এটিই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”
আসিফ নজরুলের ধন্যবাদ পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী অবস্থানের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি শাহবাজ শরিফের মন্তব্য উদ্ধৃত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই পোস্টটি ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, যা দুই দেশের ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সম্পর্কে এক নতুন মাত্রার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আইসিসির উদ্বেগ ও সম্ভাব্য পরিণতি এদিকে পাকিস্তানের এই ‘সিলেক্টিভ পার্টিসিপেশন’ বা বেছে বেছে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে নির্দিষ্ট কোনো দলের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত ক্রীড়া সুলভ আচরণের পরিপন্থী। যদি পাকিস্তান ম্যাচটি বর্জন করে, তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ভারত ‘ওয়াকওভার’ পাবে এবং পাকিস্তান বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ এই ম্যাচটি ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পাকিস্তানের এই অনড় অবস্থানের ফলে টুর্নামেন্টের রাজস্ব ও দর্শকপ্রিয়তা বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন