ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন, জামায়াত মার্কিন দূতাবাসে তাঁর দলকে 'উগ্রপন্থী' ও 'জঙ্গি' হিসেবে উপস্থাপন করেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, “জামায়াত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছে এবং সেখানে আমাদের আন্দোলনকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে। যে জোটে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ইসলামের প্রকৃত চেতনা নেই, সেখানে থাকা মানে জাতিকে ধোঁকা দেওয়া।”
জোট ত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী আগে গঠিত আট দলকে বাদ দিয়ে একক সিদ্ধান্তে কয়েকটি নতুন দলকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করেছে। যেখানে ইসলামি আদর্শ ও ঐক্যের অভাব রয়েছে এবং যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এই সংকীর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওই জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে মাওলানা রেজাউল করীম ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এতে ৩০টি মৌলিক দফা ও ১২টি বিশেষ কর্মসূচি স্থান পেয়েছে। ইশতেহারে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, ইনসাফ কায়েম এবং আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোটের প্রধান দুই শরিকের মধ্যে এই বাগযুদ্ধ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেছেন, জামায়াত মার্কিন দূতাবাসে তাঁর দলকে 'উগ্রপন্থী' ও 'জঙ্গি' হিসেবে উপস্থাপন করেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, “জামায়াত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছে এবং সেখানে আমাদের আন্দোলনকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে। যে জোটে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ইসলামের প্রকৃত চেতনা নেই, সেখানে থাকা মানে জাতিকে ধোঁকা দেওয়া।”
জোট ত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী আগে গঠিত আট দলকে বাদ দিয়ে একক সিদ্ধান্তে কয়েকটি নতুন দলকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করেছে। যেখানে ইসলামি আদর্শ ও ঐক্যের অভাব রয়েছে এবং যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এই সংকীর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওই জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে মাওলানা রেজাউল করীম ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এতে ৩০টি মৌলিক দফা ও ১২টি বিশেষ কর্মসূচি স্থান পেয়েছে। ইশতেহারে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, ইনসাফ কায়েম এবং আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোটের প্রধান দুই শরিকের মধ্যে এই বাগযুদ্ধ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন