রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক উচ্চপর্যায়ের ভিডিও বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় রুশ প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন যে, বর্তমানের গোলযোগপূর্ণ ও অস্থির আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে মস্কো ও বেইজিংয়ের পররাষ্ট্রনীতির ঐক্য বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।
রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এই ভিডিও কলে পুতিন জানান, ক্রমশ পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের এই সুদৃঢ় বন্ধুত্ব বিশ্বকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার অন্যতম উপাদান। তিনি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে ইউক্রেন সংকটের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়ার জন্য চীন এখন সবচেয়ে বড় কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে একমত হয়েছেন। শি জিনপিং এই সম্পর্ককে একটি নতুন যুগে প্রবেশের সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় দুই দেশের যৌথ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। অল্প কিছুদিন আগেই দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিকেরা জানিয়েছিলেন যে, ২০২৬ সালে চীন-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
২০২২ সালের শুরুতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পুতিন ও শি জিনপিং নিয়মিত একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এই ভিডিও বৈঠকটি বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশের অভিন্ন অবস্থানের একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সরাসরি বৈঠকের সময় পুতিন মন্তব্য করেছিলেন যে, চীন-রাশিয়া সম্পর্ক বর্তমানে এক নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক উচ্চপর্যায়ের ভিডিও বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় রুশ প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন যে, বর্তমানের গোলযোগপূর্ণ ও অস্থির আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে মস্কো ও বেইজিংয়ের পররাষ্ট্রনীতির ঐক্য বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।
রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এই ভিডিও কলে পুতিন জানান, ক্রমশ পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের এই সুদৃঢ় বন্ধুত্ব বিশ্বকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার অন্যতম উপাদান। তিনি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে ইউক্রেন সংকটের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়ার জন্য চীন এখন সবচেয়ে বড় কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে একমত হয়েছেন। শি জিনপিং এই সম্পর্ককে একটি নতুন যুগে প্রবেশের সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় দুই দেশের যৌথ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। অল্প কিছুদিন আগেই দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিকেরা জানিয়েছিলেন যে, ২০২৬ সালে চীন-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
২০২২ সালের শুরুতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পুতিন ও শি জিনপিং নিয়মিত একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এই ভিডিও বৈঠকটি বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশের অভিন্ন অবস্থানের একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সরাসরি বৈঠকের সময় পুতিন মন্তব্য করেছিলেন যে, চীন-রাশিয়া সম্পর্ক বর্তমানে এক নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন