ইউক্রেনজুড়ে হাড়কাঁপানো শীত ও তুষারপাতের মধ্যে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে চালানো এই অভিযানে ৪৫০টি ড্রোন এবং ৭০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যাকে যুদ্ধের চার বছরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর হওয়া সবচেয়ে বড় আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, তারা ৪৫০টি ড্রোনের মধ্যে ৪১২টি ধ্বংস করতে পারলেও ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ছিল বেশ কম। রাশিয়ার ছোড়া ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে মাত্র ৩৮টি প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের পাঁচটি অঞ্চলের প্রধান প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র ও হিটিং স্টেশনগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে কিয়েভ, খারকিভ ও দিনিপ্রো শহরের বাসিন্দারা এখন চরম বিদ্যুৎ ও তাপ সংকটের মুখে পড়েছেন।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানান, বর্তমানে ইউক্রেনের অনেক স্থানে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। এমন অসহ্য শীতের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থায় হামলা চালানোকে তিনি রাশিয়ার ‘শীতকালীন সন্ত্রাস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কূটনীতি নয়, বরং মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তাঁদের মনোবল ভেঙে দিতে চায়।”
ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে (DTEK) জানিয়েছে, এই হামলার ফলে কিয়েভের অনেক আবাসিক এলাকায় জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং প্রায় ১,১৭০টি বহুতল ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এক সপ্তাহ আগে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা না করার যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়েছিল, রাশিয়ার এই হামলার মাধ্যমে তা ভেঙে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আজ বুধবার থেকে আবুধাবিতে শুরু হতে যাওয়া দু’দেশের মধ্যকার শান্তি আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে রাশিয়ার এই রণকৌশল যুদ্ধের মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইউক্রেনজুড়ে হাড়কাঁপানো শীত ও তুষারপাতের মধ্যে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে চালানো এই অভিযানে ৪৫০টি ড্রোন এবং ৭০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যাকে যুদ্ধের চার বছরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর হওয়া সবচেয়ে বড় আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, তারা ৪৫০টি ড্রোনের মধ্যে ৪১২টি ধ্বংস করতে পারলেও ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ছিল বেশ কম। রাশিয়ার ছোড়া ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে মাত্র ৩৮টি প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের পাঁচটি অঞ্চলের প্রধান প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র ও হিটিং স্টেশনগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে কিয়েভ, খারকিভ ও দিনিপ্রো শহরের বাসিন্দারা এখন চরম বিদ্যুৎ ও তাপ সংকটের মুখে পড়েছেন।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানান, বর্তমানে ইউক্রেনের অনেক স্থানে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। এমন অসহ্য শীতের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থায় হামলা চালানোকে তিনি রাশিয়ার ‘শীতকালীন সন্ত্রাস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কূটনীতি নয়, বরং মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তাঁদের মনোবল ভেঙে দিতে চায়।”
ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে (DTEK) জানিয়েছে, এই হামলার ফলে কিয়েভের অনেক আবাসিক এলাকায় জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং প্রায় ১,১৭০টি বহুতল ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এক সপ্তাহ আগে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা না করার যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়েছিল, রাশিয়ার এই হামলার মাধ্যমে তা ভেঙে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আজ বুধবার থেকে আবুধাবিতে শুরু হতে যাওয়া দু’দেশের মধ্যকার শান্তি আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে রাশিয়ার এই রণকৌশল যুদ্ধের মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন