বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে এক বিশেষ বার্তায় জানিয়েছেন যে, সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও তা কোনোভাবেই শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
নির্বাচনী ডামাডোলের এই সময়ে সহকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শফিকুর রহমান বলেন, ভোটের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, সমালোচনা হতে হবে যুক্তিপূর্ণ এবং মার্জিত। তাঁর মতে, এমন কোনো ভাষা প্রয়োগ করা কাম্য নয় যা নিজের ক্ষেত্রে শুনলে কেউ আহত বোধ করবেন। এমনকি প্রিয় কোনো ব্যক্তিকে কেউ কুরুচিপূর্ণভাবে আক্রমণ করলেও তার জবাব হওয়া উচিত উত্তম ভাষায় এবং যুক্তির মাধ্যমে, কারণ এটিই প্রকৃত শিক্ষা।
পোস্টের শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে লেখেন যে, তাঁর এই পরামর্শটুকু সবাই গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের প্রবণতা যখন বাড়ছে, তখন জামায়াত আমিরের এই বার্তাটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে এক বিশেষ বার্তায় জানিয়েছেন যে, সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও তা কোনোভাবেই শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
নির্বাচনী ডামাডোলের এই সময়ে সহকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শফিকুর রহমান বলেন, ভোটের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, সমালোচনা হতে হবে যুক্তিপূর্ণ এবং মার্জিত। তাঁর মতে, এমন কোনো ভাষা প্রয়োগ করা কাম্য নয় যা নিজের ক্ষেত্রে শুনলে কেউ আহত বোধ করবেন। এমনকি প্রিয় কোনো ব্যক্তিকে কেউ কুরুচিপূর্ণভাবে আক্রমণ করলেও তার জবাব হওয়া উচিত উত্তম ভাষায় এবং যুক্তির মাধ্যমে, কারণ এটিই প্রকৃত শিক্ষা।
পোস্টের শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে লেখেন যে, তাঁর এই পরামর্শটুকু সবাই গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের প্রবণতা যখন বাড়ছে, তখন জামায়াত আমিরের এই বার্তাটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন