বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন পতাকাবাহী একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকারকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সশস্ত্র ছোট নৌকাগুলো ঘিরে ধরে তল্লাশির চেষ্টা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ‘ভ্যানগার্ড টেক’ জানিয়েছে, ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামের ওই মার্কিন ট্যাংকারটি যখন প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ছয়টি সশস্ত্র দ্রুতগামী নৌকা তিন দিক থেকে সেটিকে ঘিরে ফেলে। রেডিও বার্তার মাধ্যমে ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেনকে নির্দেশ দেওয়া হয়— "ইঞ্জিন বন্ধ করো, তল্লাশি হবে।"
তবে মার্কিন ট্যাংকারটি সেই নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে থাকে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, জাহাজটি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক পানিপথ দিয়েই চলছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্যাংকারটিকে পাহারা দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে যায়। এর আগে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক সতর্কতা সংস্থা ইউকেএমটিও (UKMTO) একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিল, তবে তারা কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেনি।
বিপরীতমুখী বক্তব্য দিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ফার্স’ দাবি করেছে, একটি জাহাজ অবৈধভাবে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করায় সেটিকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র দেখাতে বলা হয়েছিল। সতর্কবার্তা পাওয়ার পর জাহাজটি দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন শীর্ষ কমান্ডার। প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও এলএনজি এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথে যেকোনো সামরিক সংঘাত বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন পতাকাবাহী একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকারকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সশস্ত্র ছোট নৌকাগুলো ঘিরে ধরে তল্লাশির চেষ্টা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ‘ভ্যানগার্ড টেক’ জানিয়েছে, ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামের ওই মার্কিন ট্যাংকারটি যখন প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ছয়টি সশস্ত্র দ্রুতগামী নৌকা তিন দিক থেকে সেটিকে ঘিরে ফেলে। রেডিও বার্তার মাধ্যমে ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেনকে নির্দেশ দেওয়া হয়— "ইঞ্জিন বন্ধ করো, তল্লাশি হবে।"
তবে মার্কিন ট্যাংকারটি সেই নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে থাকে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, জাহাজটি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক পানিপথ দিয়েই চলছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্যাংকারটিকে পাহারা দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে যায়। এর আগে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক সতর্কতা সংস্থা ইউকেএমটিও (UKMTO) একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিল, তবে তারা কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেনি।
বিপরীতমুখী বক্তব্য দিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ফার্স’ দাবি করেছে, একটি জাহাজ অবৈধভাবে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করায় সেটিকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র দেখাতে বলা হয়েছিল। সতর্কবার্তা পাওয়ার পর জাহাজটি দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন শীর্ষ কমান্ডার। প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও এলএনজি এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথে যেকোনো সামরিক সংঘাত বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন