আজ ৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার; সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’। প্রাণঘাতী এই কর্কট রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগীদের সাহায্যে মানুষকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর এই দিনে বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচিটি পালন করা হয়।
২০০০ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড সামিট এগেইনস্ট ক্যানসার’ থেকে এই দিবসটি পালনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিবেদন অনুযায়ী, পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে এই ক্যানসারকেই দায়ী করা হয়। সংস্থাটির হিসাব মতে, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ এই মরণব্যাধিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং বিশাল সংখ্যক নারী ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন।
বাংলাদেশের পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক। গ্লোবাল ক্যানসার অবজারভেটরি-এর তথ্যমতে, ২০২২ সালে বাংলাদেশে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন এবং নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৫৬ জন। বিশেষ করে তামাকের অবাধ ব্যবহার ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে বাংলাদেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যানসার মানেই মৃত্যু নয়। সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে, কেবল তামাক ব্যবহার পরিহার করার মাধ্যমেই ক্যানসারজনিত মৃত্যুর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরোধ করা সম্ভব। দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোচনা সভা, র্যালি ও বিনামূল্যে ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার; সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’। প্রাণঘাতী এই কর্কট রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগীদের সাহায্যে মানুষকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর এই দিনে বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচিটি পালন করা হয়।
২০০০ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড সামিট এগেইনস্ট ক্যানসার’ থেকে এই দিবসটি পালনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিবেদন অনুযায়ী, পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে এই ক্যানসারকেই দায়ী করা হয়। সংস্থাটির হিসাব মতে, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ এই মরণব্যাধিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং বিশাল সংখ্যক নারী ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন।
বাংলাদেশের পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক। গ্লোবাল ক্যানসার অবজারভেটরি-এর তথ্যমতে, ২০২২ সালে বাংলাদেশে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন এবং নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৫৬ জন। বিশেষ করে তামাকের অবাধ ব্যবহার ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে বাংলাদেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যানসার মানেই মৃত্যু নয়। সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে, কেবল তামাক ব্যবহার পরিহার করার মাধ্যমেই ক্যানসারজনিত মৃত্যুর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরোধ করা সম্ভব। দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোচনা সভা, র্যালি ও বিনামূল্যে ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন