কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, জামায়াত যদি কোনোভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়, তবে বাংলাদেশ আবার ‘পাকিস্তান’ হয়ে যাবে এবং তারা ১৯৭১ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটিকে ‘পরাধীন’ বানাবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের ঢাকী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ভোটারদের সতর্ক করে ফজলুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে পাকিস্তানি মিলিটারিরা এসে বসে থাকবে। এই মিলিটারিরা আর জামায়াতের রাজাকার-আলবদররা মিলে দেশটাকে পরাধীন করবে। তখন আপনারা রাস্তা দিয়ে শান্তিতে হাঁটতে পারবেন না।” তিনি আরও যোগ করেন, “আল্লাহর দোহাই লাগে, আমাকে ভোট না দিলেও চলবে, কিন্তু এদের ভোট দিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানিয়ে মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করবেন না।”
নির্বাচনি প্রচারণায় জামায়াতের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জামায়াত প্রথমে বোরকা পরা নারীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিস্কুট-চকলেট বিলি করেছে এবং সাধারণ মায়েদের ‘বেহেশতের টিকিট’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, “বেহেশতের টিকিট দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ, তারা দেওয়ার কে?”
জামায়াতের রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে কড়া সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, “তাদের জন্য অভিধানে তিনটি শব্দ রয়েছে—বেতমিজ, বেয়াদব এবং বেইমান। তারা ডাকসুর সাবেক ভিপি তারেক রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ কথা বলে, অথচ তারা তাঁর সন্তানের সমান।” তিনি দাবি করেন, সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত ১০ শতাংশ ভোট পাবে কি না তাতে সন্দেহ আছে।
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে ভোটারদের কোনো ধরনের বিভ্রান্তিতে না পড়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফজলুর রহমান তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। জনসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, জামায়াত যদি কোনোভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়, তবে বাংলাদেশ আবার ‘পাকিস্তান’ হয়ে যাবে এবং তারা ১৯৭১ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটিকে ‘পরাধীন’ বানাবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের ঢাকী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ভোটারদের সতর্ক করে ফজলুর রহমান বলেন, “জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে পাকিস্তানি মিলিটারিরা এসে বসে থাকবে। এই মিলিটারিরা আর জামায়াতের রাজাকার-আলবদররা মিলে দেশটাকে পরাধীন করবে। তখন আপনারা রাস্তা দিয়ে শান্তিতে হাঁটতে পারবেন না।” তিনি আরও যোগ করেন, “আল্লাহর দোহাই লাগে, আমাকে ভোট না দিলেও চলবে, কিন্তু এদের ভোট দিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানিয়ে মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করবেন না।”
নির্বাচনি প্রচারণায় জামায়াতের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জামায়াত প্রথমে বোরকা পরা নারীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিস্কুট-চকলেট বিলি করেছে এবং সাধারণ মায়েদের ‘বেহেশতের টিকিট’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, “বেহেশতের টিকিট দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ, তারা দেওয়ার কে?”
জামায়াতের রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে কড়া সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, “তাদের জন্য অভিধানে তিনটি শব্দ রয়েছে—বেতমিজ, বেয়াদব এবং বেইমান। তারা ডাকসুর সাবেক ভিপি তারেক রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ কথা বলে, অথচ তারা তাঁর সন্তানের সমান।” তিনি দাবি করেন, সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত ১০ শতাংশ ভোট পাবে কি না তাতে সন্দেহ আছে।
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে ভোটারদের কোনো ধরনের বিভ্রান্তিতে না পড়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফজলুর রহমান তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। জনসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন