ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উসকানি ও নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ১৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ইয়াজদ প্রদেশ থেকে তাঁদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গির এক বিবৃতিতে বলেন, “যারা মার্কিন উসকানি ও সমর্থনে ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে ভূমিকা রেখেছে, তাঁদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” তবে গ্রেপ্তারকৃতরা ঠিক কোন কোন দেশের নাগরিক, সে বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মরু অঞ্চলবেষ্টিত ইয়াজদ প্রদেশের পুলিশ প্রধান আহমাদ নেগাহবান জানিয়েছেন, আটককৃত বিদেশিরা দাঙ্গামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করা, উসকানি দেওয়া এবং মাঠ পর্যায়ে নাশকতা পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ বিদেশের বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গত মাসে তেহরানে সংঘটিত বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় আরও চারজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভ দমনে দেশটির বিচারিক কর্তৃপক্ষ কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, যেকোনো মূল্যে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের দমন করা হবে।
উল্লেখ্য, ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে দাবি করে আসছে। ইরান সরকার শুরু থেকেই এই অস্থিরতার পেছনে ইসরায়েল ও আমেরিকার প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে।
বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসনের ‘সক্রিয় সমর্থন’ বিক্ষোভকারীদের উসকে দিচ্ছে বলে মনে করছে তেহরান। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উসকানি ও নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ১৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ইয়াজদ প্রদেশ থেকে তাঁদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গির এক বিবৃতিতে বলেন, “যারা মার্কিন উসকানি ও সমর্থনে ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে ভূমিকা রেখেছে, তাঁদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” তবে গ্রেপ্তারকৃতরা ঠিক কোন কোন দেশের নাগরিক, সে বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মরু অঞ্চলবেষ্টিত ইয়াজদ প্রদেশের পুলিশ প্রধান আহমাদ নেগাহবান জানিয়েছেন, আটককৃত বিদেশিরা দাঙ্গামূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করা, উসকানি দেওয়া এবং মাঠ পর্যায়ে নাশকতা পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ বিদেশের বিভিন্ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গত মাসে তেহরানে সংঘটিত বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় আরও চারজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভ দমনে দেশটির বিচারিক কর্তৃপক্ষ কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, যেকোনো মূল্যে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের দমন করা হবে।
উল্লেখ্য, ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে দাবি করে আসছে। ইরান সরকার শুরু থেকেই এই অস্থিরতার পেছনে ইসরায়েল ও আমেরিকার প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে।
বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসনের ‘সক্রিয় সমর্থন’ বিক্ষোভকারীদের উসকে দিচ্ছে বলে মনে করছে তেহরান। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন