জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন 'যমুনা' সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়।
ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডিএমপি অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা ও সচিবালয় এলাকার প্রশাসনিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সভা-সমাবেশ ছাড়াও মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সচিবালয় ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার চারদিকের নির্দিষ্ট সীমানায় এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে— হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টো রোড ক্রসিং-এর মধ্যবর্তী পুরো এলাকা।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান জমায়েত ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে পুলিশ প্রশাসন এই জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন 'যমুনা' সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়।
ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডিএমপি অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা ও সচিবালয় এলাকার প্রশাসনিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সভা-সমাবেশ ছাড়াও মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সচিবালয় ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার চারদিকের নির্দিষ্ট সীমানায় এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে— হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টো রোড ক্রসিং-এর মধ্যবর্তী পুরো এলাকা।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান জমায়েত ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে পুলিশ প্রশাসন এই জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন