বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশজুড়ে জামায়াতের ক্রমবর্ধমান গণজোয়ারে একটি রাজনৈতিক দল আজ সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন দেখে তারা হতভম্ব এবং আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ জুলুম, নির্যাতন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পায়নি। ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশে জনগণের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছিল। কিন্তু আজ সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী আজ জনগণের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা দিনের ভোট রাতে করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে, যারা জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে, তারা আজ ভয় পেয়েছে। কারণ জনগণ এখন আর প্রতারণা মেনে নিচ্ছে না। জামায়াতের শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ গণজোয়ার তাদের সেই ভয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
জামায়াত আমীর বলেন, “আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমরা রাজনীতি করি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য। এ দেশের মানুষের ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি দাবি করেন, যেখানে যেখানে জামায়াতে ইসলামী কাজ করার সুযোগ পেয়েছে, সেখানে সৎ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। দুর্নীতি কমেছে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা পেয়েছে। এ কারণেই আজ দেশের মানুষ আবার জামায়াতের দিকে আশার চোখে তাকাচ্ছে।বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ আজ এক গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, তরুণ সমাজ বেকারত্বে জর্জরিত, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অথচ ক্ষমতাসীনরা জনগণের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে চরমভাবে উদাসীন। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য নৈতিকতা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমসম্পন্ন নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতায় জড়ানো যাবে না। জামায়াতের সব কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে পরিচালিত। ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সদাচরণের মাধ্যমে মানুষের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।জনসভায় জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, ময়মনসিংহসহ সারা দেশে জামায়াতের জনসমর্থন অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে সার্কিট হাউজ মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনসভা শেষ হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশজুড়ে জামায়াতের ক্রমবর্ধমান গণজোয়ারে একটি রাজনৈতিক দল আজ সম্পূর্ণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন দেখে তারা হতভম্ব এবং আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ জুলুম, নির্যাতন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পায়নি। ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশে জনগণের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছিল। কিন্তু আজ সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী আজ জনগণের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা দিনের ভোট রাতে করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে, যারা জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে, তারা আজ ভয় পেয়েছে। কারণ জনগণ এখন আর প্রতারণা মেনে নিচ্ছে না। জামায়াতের শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ গণজোয়ার তাদের সেই ভয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
জামায়াত আমীর বলেন, “আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমরা রাজনীতি করি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য। এ দেশের মানুষের ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি দাবি করেন, যেখানে যেখানে জামায়াতে ইসলামী কাজ করার সুযোগ পেয়েছে, সেখানে সৎ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। দুর্নীতি কমেছে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা পেয়েছে। এ কারণেই আজ দেশের মানুষ আবার জামায়াতের দিকে আশার চোখে তাকাচ্ছে।বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ আজ এক গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, তরুণ সমাজ বেকারত্বে জর্জরিত, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অথচ ক্ষমতাসীনরা জনগণের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে চরমভাবে উদাসীন। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য নৈতিকতা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমসম্পন্ন নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতায় জড়ানো যাবে না। জামায়াতের সব কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে পরিচালিত। ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও সদাচরণের মাধ্যমে মানুষের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।জনসভায় জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, ময়মনসিংহসহ সারা দেশে জামায়াতের জনসমর্থন অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে সার্কিট হাউজ মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনসভা শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন