ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লেও, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনই ইরানে সরাসরি সামরিক হামলার প্রস্তুত নয়। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। তাই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (থাড ও প্যাট্রিয়ট) মোতায়েন না করা পর্যন্ত হামলায় যাওয়ার পরিকল্পনা নেই।
গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক শক্তি পাঠিয়েছে। এর নেতৃত্বে রয়েছে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। এই বহরের লক্ষ্য ছিল ইরানকে নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা।
তবে, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের আরব মিত্র দেশ এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়ায় সরাসরি হামলা এখনও করা হচ্ছে না। পেন্টাগন ইতোমধ্যে জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কাতারে ঘাঁটিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরে ইরান জবাবে ইসরায়েল ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবার আঞ্চলিক দুর্বলতা দূর করতে চাইছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে। একই সঙ্গে, ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। রাশিয়া বলেছে, যেকোনও ধরনের বলপ্রয়োগ গোটা অঞ্চলকে ভয়াবহ অস্থিরতায় ঠেলে দিতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লেও, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনই ইরানে সরাসরি সামরিক হামলার প্রস্তুত নয়। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। তাই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (থাড ও প্যাট্রিয়ট) মোতায়েন না করা পর্যন্ত হামলায় যাওয়ার পরিকল্পনা নেই।
গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক শক্তি পাঠিয়েছে। এর নেতৃত্বে রয়েছে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। এই বহরের লক্ষ্য ছিল ইরানকে নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা।
তবে, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের আরব মিত্র দেশ এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়ায় সরাসরি হামলা এখনও করা হচ্ছে না। পেন্টাগন ইতোমধ্যে জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কাতারে ঘাঁটিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরে ইরান জবাবে ইসরায়েল ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবার আঞ্চলিক দুর্বলতা দূর করতে চাইছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে। একই সঙ্গে, ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। রাশিয়া বলেছে, যেকোনও ধরনের বলপ্রয়োগ গোটা অঞ্চলকে ভয়াবহ অস্থিরতায় ঠেলে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন