ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তবে গত ৫৪ বছরে রাষ্ট্র পরিচালনায় সেই লক্ষ্যগুলোর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশ বারবার আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নীতিতে শীর্ষে অবস্থান করেছে, যার ফলে অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রবিবার লক্ষ্মীপুর-০১ আসনের রামগঞ্জ পৌর শিশুপার্কে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির হোসেন পাটোয়ারীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, যে উদ্দেশ্য সামনে রেখে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সেই সাম্য ও ন্যায়বিচার বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁর ভাষায়, দুর্নীতির কারণে হাজার হাজার মায়ের কোল খালি হয়েছে, দেশের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ এসব অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি থামেনি।
তিনি বলেন, কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো জাতি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা না করলে আল্লাহও তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করেন না। সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চরমোনাই পীর জানান, ইসলামের পক্ষে একটি স্বতন্ত্র ভোটের বাক্সের দাবি তোলার সময় দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে কিছু ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী ইসলামী নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালনার ঘোষণা থেকে সরে আসে। এ পরিস্থিতিতে ইসলামের ইজ্জত রক্ষা এবং ইসলামের পক্ষে ভোটের বাক্স সংরক্ষণের লক্ষ্যে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ২৫৮ আসনে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
লক্ষ্মীপুর-০১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির হোসেন পাটোয়ারীর বিষয়ে চরমোনাই পীর বলেন, তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত এবং জনগণের আস্থার প্রতীক হতে পারেন।
তিনি আলেম সমাজ, শিক্ষিত শ্রেণি, শ্রমিক-কৃষক, দিনমজুর, ছাত্র-যুবক ও নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষে, তারা যেন হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেন। তাঁর মতে, পুরোনো চিন্তাধারার লোকদের নতুন মোড়কে সামনে এনে দেশের শান্তি ও কল্যাণ আশা করা অবাস্তব।
চরমোনাই পীর আরও অভিযোগ করেন, ইসলামের নামে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড এবং গোপন বিদেশি যোগাযোগ দেশের মানুষের জন্য শান্তি বয়ে আনতে পারে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হলে তা জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হবে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্রে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তবে গত ৫৪ বছরে রাষ্ট্র পরিচালনায় সেই লক্ষ্যগুলোর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশ বারবার আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নীতিতে শীর্ষে অবস্থান করেছে, যার ফলে অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রবিবার লক্ষ্মীপুর-০১ আসনের রামগঞ্জ পৌর শিশুপার্কে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির হোসেন পাটোয়ারীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, যে উদ্দেশ্য সামনে রেখে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সেই সাম্য ও ন্যায়বিচার বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁর ভাষায়, দুর্নীতির কারণে হাজার হাজার মায়ের কোল খালি হয়েছে, দেশের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ এসব অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি থামেনি।
তিনি বলেন, কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী কোনো জাতি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা না করলে আল্লাহও তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করেন না। সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চরমোনাই পীর জানান, ইসলামের পক্ষে একটি স্বতন্ত্র ভোটের বাক্সের দাবি তোলার সময় দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে কিছু ক্ষমতালোভী গোষ্ঠী ইসলামী নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালনার ঘোষণা থেকে সরে আসে। এ পরিস্থিতিতে ইসলামের ইজ্জত রক্ষা এবং ইসলামের পক্ষে ভোটের বাক্স সংরক্ষণের লক্ষ্যে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ২৫৮ আসনে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
লক্ষ্মীপুর-০১ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির হোসেন পাটোয়ারীর বিষয়ে চরমোনাই পীর বলেন, তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত এবং জনগণের আস্থার প্রতীক হতে পারেন।
তিনি আলেম সমাজ, শিক্ষিত শ্রেণি, শ্রমিক-কৃষক, দিনমজুর, ছাত্র-যুবক ও নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষে, তারা যেন হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেন। তাঁর মতে, পুরোনো চিন্তাধারার লোকদের নতুন মোড়কে সামনে এনে দেশের শান্তি ও কল্যাণ আশা করা অবাস্তব।
চরমোনাই পীর আরও অভিযোগ করেন, ইসলামের নামে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড এবং গোপন বিদেশি যোগাযোগ দেশের মানুষের জন্য শান্তি বয়ে আনতে পারে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হলে তা জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হবে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্রে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন