ঢাকা-৮ আসনের এনএসপি (জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি) প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এক নির্বাচনী জনসভায় চাঁদাবাজ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার একটি বক্তব্যে তিনি বলেন, "আমি শহীদ হাদির সিম্প্যাথি নিচ্ছি না। উনি বলেছিলেন—সংসদে গেলে চাঁদাবাজদের, ঘুষখোরদের ঘুম হারাম করে দেবেন। আমি ঘোষণা দিচ্ছি, আমি সংসদে না গেলেও, ওরা জেগে থাকলেও ওদের ঘুম হারাম করে দেব।"
বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল পদের জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য। শহীদ হাদির আদর্শকে স্মরণ করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাওয়া চাঁদাবাজ ও ঘুষখোরদের বিরুদ্ধে তার এই লড়াই রাজপথেও অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থীর এমন আক্রমণাত্মক ও সাহসী বক্তব্য স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এনএসপি-র প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুর্নীতি দমনে তার এই 'জিরো টলারেন্স' নীতি সাধারণ মানুষের মনে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৮ আসনের এনএসপি (জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি) প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এক নির্বাচনী জনসভায় চাঁদাবাজ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার একটি বক্তব্যে তিনি বলেন, "আমি শহীদ হাদির সিম্প্যাথি নিচ্ছি না। উনি বলেছিলেন—সংসদে গেলে চাঁদাবাজদের, ঘুষখোরদের ঘুম হারাম করে দেবেন। আমি ঘোষণা দিচ্ছি, আমি সংসদে না গেলেও, ওরা জেগে থাকলেও ওদের ঘুম হারাম করে দেব।"
বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনীতি কেবল পদের জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য। শহীদ হাদির আদর্শকে স্মরণ করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাওয়া চাঁদাবাজ ও ঘুষখোরদের বিরুদ্ধে তার এই লড়াই রাজপথেও অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থীর এমন আক্রমণাত্মক ও সাহসী বক্তব্য স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী এনএসপি-র প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুর্নীতি দমনে তার এই 'জিরো টলারেন্স' নীতি সাধারণ মানুষের মনে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন