জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যা সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশ করেছে। এই নথিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বিল গেটসের মতো প্রভাবশালীদের নাম থাকলেও ইমরান খানের নাম যুক্ত হয়েছে মূলত রাজনৈতিক কারণে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানে পিটিআই জয়লাভ করার পরপরই কুখ্যাত অপরাধী জেফরি এপস্টেইন ইমরান খানকে বিশ্ব শান্তির জন্য বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। প্রকাশিত ইমেইলগুলোতে দেখা যায় যে এপস্টেইন ইমরান খানকে তুরস্কের এরদোগান কিংবা রাশিয়ার পুতিনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক মনে করতেন।
ইমেইল কথোপকথনে এপস্টেইন ইমরান খানকে একজন কট্টর ইসলামপন্থী এবং জনমোহিনী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন যে ইমরান খানের তুলনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও অনেক বেশি বুদ্ধিমান মনে হয়। এমনকি সেই সময় থেকেই ইমরান খানকে কোনো ধরনের অভ্যুত্থান বা পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিষয়ে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন আলোচনার ইঙ্গিত নথিতে পাওয়া যায়। ইমরান খানের অতীত জীবন, ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং মানুষকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতার কথাও সেই আলোচনায় উঠে আসে।
২০২২ সালে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া এবং বর্তমানে কারাবন্দী থাকা ইমরান খানের সমর্থকদের কাছে এই তথ্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন যে ২০১৮ সাল থেকেই তাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে ধরনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তার প্রতিফলন পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাগুলোতে দেখা গেছে। জেফরি এপস্টেইন যিনি ২০১৯ সালে কারাগারে আত্মহত্যা করেছিলেন, তার এসব ফাইল এখন বিশ্ব রাজনীতির অনেক গোপন অধ্যায় সামনে নিয়ে আসছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যা সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশ করেছে। এই নথিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বিল গেটসের মতো প্রভাবশালীদের নাম থাকলেও ইমরান খানের নাম যুক্ত হয়েছে মূলত রাজনৈতিক কারণে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানে পিটিআই জয়লাভ করার পরপরই কুখ্যাত অপরাধী জেফরি এপস্টেইন ইমরান খানকে বিশ্ব শান্তির জন্য বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। প্রকাশিত ইমেইলগুলোতে দেখা যায় যে এপস্টেইন ইমরান খানকে তুরস্কের এরদোগান কিংবা রাশিয়ার পুতিনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক মনে করতেন।
ইমেইল কথোপকথনে এপস্টেইন ইমরান খানকে একজন কট্টর ইসলামপন্থী এবং জনমোহিনী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন যে ইমরান খানের তুলনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও অনেক বেশি বুদ্ধিমান মনে হয়। এমনকি সেই সময় থেকেই ইমরান খানকে কোনো ধরনের অভ্যুত্থান বা পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিষয়ে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন আলোচনার ইঙ্গিত নথিতে পাওয়া যায়। ইমরান খানের অতীত জীবন, ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং মানুষকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতার কথাও সেই আলোচনায় উঠে আসে।
২০২২ সালে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া এবং বর্তমানে কারাবন্দী থাকা ইমরান খানের সমর্থকদের কাছে এই তথ্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন যে ২০১৮ সাল থেকেই তাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে ধরনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তার প্রতিফলন পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাগুলোতে দেখা গেছে। জেফরি এপস্টেইন যিনি ২০১৯ সালে কারাগারে আত্মহত্যা করেছিলেন, তার এসব ফাইল এখন বিশ্ব রাজনীতির অনেক গোপন অধ্যায় সামনে নিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন