ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

আস্থা ফিরলে চুক্তিতে আগ্রহী ইরান, আশাবাদী ট্রাম্পও


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আস্থা ফিরলে চুক্তিতে আগ্রহী ইরান, আশাবাদী ট্রাম্পও


ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কড়া হুঁশিয়ারির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আশা করছি আমরা একটি চুক্তি করব।” এর আগে খামেনি সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ইরানে কোনো মার্কিন হামলা হলে তা পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে দেবে। খামেনির এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, “তিনি (খামেনি) তো এমন কথা বলবেনই, দেখা যাক কী হয়।” তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, চুক্তি না হলে খামেনির হুঁশিয়ারি কতটা সঠিক তা সময়ই বলে দেবে।

একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যদি দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এখনো সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইরান আলোচনার অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এবং বর্তমানে কিছু আঞ্চলিক দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন এবং আলোচনার কাঠামোর চেয়ে মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন, তবে একটি ‘সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ’ চুক্তি সম্ভব।

উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ইতোমধ্যেই বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার মতো কিছু ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করেছেন। তবে সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখেছে। আরাগচি সতর্ক করেছেন যে, যেকোনো সামরিক হস্তক্ষেপ কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে একটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


আস্থা ফিরলে চুক্তিতে আগ্রহী ইরান, আশাবাদী ট্রাম্পও

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কড়া হুঁশিয়ারির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আশা করছি আমরা একটি চুক্তি করব।” এর আগে খামেনি সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ইরানে কোনো মার্কিন হামলা হলে তা পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে দেবে। খামেনির এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, “তিনি (খামেনি) তো এমন কথা বলবেনই, দেখা যাক কী হয়।” তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, চুক্তি না হলে খামেনির হুঁশিয়ারি কতটা সঠিক তা সময়ই বলে দেবে।

একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যদি দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এখনো সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইরান আলোচনার অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এবং বর্তমানে কিছু আঞ্চলিক দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন এবং আলোচনার কাঠামোর চেয়ে মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন, তবে একটি ‘সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ’ চুক্তি সম্ভব।

উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ইতোমধ্যেই বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার মতো কিছু ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করেছেন। তবে সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখেছে। আরাগচি সতর্ক করেছেন যে, যেকোনো সামরিক হস্তক্ষেপ কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে একটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ