পবিত্র ওমরাহ পালনে আসা হাজিদের সেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, সৌদি আরবের সাথে ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চুক্তিবদ্ধ প্রায় ৫ হাজার ৮০০টি বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে ১ হাজার ৮০০টির চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। নিয়মিত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় এসব এজেন্সির কর্মদক্ষতা এবং হাজিদের সেবা প্রদানে নানা ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি ধরা পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে সকল এজেন্সির চুক্তি স্থগিত করা হয়েছে, তাদের ত্রুটি সংশোধনের জন্য ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো অনুমোদিত মানদণ্ড ও শর্তাবলি পূরণ করতে সক্ষম হয়, তবে তাদের চুক্তি পুনরায় কার্যকর করা হবে। মূলত হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে।
তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ হজযাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়। জানানো হয়েছে, যেসব হজযাত্রী ইতিমধ্যেই বৈধ ভিসা পেয়েছেন এবং যাদের আগে থেকেই বুকিং সম্পন্ন করা রয়েছে, তাদের ওমরাহ পালনে এই স্থগিতাদেশের কোনো প্রভাব পড়বে না। তারা পূর্বনির্ধারিত নিয়মেই ওমরাহ পালন করতে পারবেন। সৌদি আরবের এই পদক্ষেপ ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্ব নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র ওমরাহ পালনে আসা হাজিদের সেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, সৌদি আরবের সাথে ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চুক্তিবদ্ধ প্রায় ৫ হাজার ৮০০টি বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে ১ হাজার ৮০০টির চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। নিয়মিত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় এসব এজেন্সির কর্মদক্ষতা এবং হাজিদের সেবা প্রদানে নানা ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি ধরা পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে সকল এজেন্সির চুক্তি স্থগিত করা হয়েছে, তাদের ত্রুটি সংশোধনের জন্য ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো অনুমোদিত মানদণ্ড ও শর্তাবলি পূরণ করতে সক্ষম হয়, তবে তাদের চুক্তি পুনরায় কার্যকর করা হবে। মূলত হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে।
তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ হজযাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়। জানানো হয়েছে, যেসব হজযাত্রী ইতিমধ্যেই বৈধ ভিসা পেয়েছেন এবং যাদের আগে থেকেই বুকিং সম্পন্ন করা রয়েছে, তাদের ওমরাহ পালনে এই স্থগিতাদেশের কোনো প্রভাব পড়বে না। তারা পূর্বনির্ধারিত নিয়মেই ওমরাহ পালন করতে পারবেন। সৌদি আরবের এই পদক্ষেপ ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্ব নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন