ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা এবং বর্তমান উত্তেজনা নিয়ে ইরানের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। কোনো পয়েন্ট বা তালিকা ছাড়া তাঁর বক্তব্যের মূল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে যা বললেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে ইরান প্রস্তুত। তিনি সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরাসরি বলেন যে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরান আলোচনার অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই অবিশ্বাস কাটিয়ে উঠতে আঞ্চলিক বন্ধু রাষ্ট্রগুলো মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং বর্তমানে যে যোগাযোগ চলছে তাকে তিনি 'ফলপ্রসূ' বলে বর্ণনা করেন। আরাগচি মনে করেন, এই প্রাথমিক যোগাযোগগুলো একটি বাস্তব এবং গভীর আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে।
সাক্ষাৎকারে আরাগচি স্পষ্ট করেন যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিপক্ষে এবং এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্যের সঙ্গে তেহরান একমত। তবে এই আলোচনার জন্য ইরান একটি 'ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত' পরিবেশ দাবি করছে, যেখানে বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রে কেবল কাঠামোর ওপর জোর না দিয়ে মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আরাগচির মতে, মার্কিন প্রতিনিধি দল যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটায়, তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটি সফল চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।
বর্তমান যুদ্ধাবস্থা নিয়ে আরাগচি বলেন যে, তিনি সরাসরি যুদ্ধ নিয়ে ততটা উদ্বিগ্ন নন যতটা উদ্বিগ্ন ভুল তথ্য বা ভুল অনুমানের কারণে সৃষ্ট কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত নিয়ে। তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু পক্ষ বা দেশ ওয়াশিংটনকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ঠেলে দিতে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রজ্ঞাবান বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আরাগচি এই কড়া হুঁশিয়ারিও দেন যে, ইরানে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে একটি আঞ্চলিক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা এবং বর্তমান উত্তেজনা নিয়ে ইরানের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। কোনো পয়েন্ট বা তালিকা ছাড়া তাঁর বক্তব্যের মূল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে যা বললেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে ইরান প্রস্তুত। তিনি সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরাসরি বলেন যে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরান আলোচনার অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই অবিশ্বাস কাটিয়ে উঠতে আঞ্চলিক বন্ধু রাষ্ট্রগুলো মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং বর্তমানে যে যোগাযোগ চলছে তাকে তিনি 'ফলপ্রসূ' বলে বর্ণনা করেন। আরাগচি মনে করেন, এই প্রাথমিক যোগাযোগগুলো একটি বাস্তব এবং গভীর আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে।
সাক্ষাৎকারে আরাগচি স্পষ্ট করেন যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিপক্ষে এবং এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্যের সঙ্গে তেহরান একমত। তবে এই আলোচনার জন্য ইরান একটি 'ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত' পরিবেশ দাবি করছে, যেখানে বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রে কেবল কাঠামোর ওপর জোর না দিয়ে মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আরাগচির মতে, মার্কিন প্রতিনিধি দল যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটায়, তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটি সফল চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।
বর্তমান যুদ্ধাবস্থা নিয়ে আরাগচি বলেন যে, তিনি সরাসরি যুদ্ধ নিয়ে ততটা উদ্বিগ্ন নন যতটা উদ্বিগ্ন ভুল তথ্য বা ভুল অনুমানের কারণে সৃষ্ট কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত নিয়ে। তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু পক্ষ বা দেশ ওয়াশিংটনকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ঠেলে দিতে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রজ্ঞাবান বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আরাগচি এই কড়া হুঁশিয়ারিও দেন যে, ইরানে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে একটি আঞ্চলিক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন