যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিরাজমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান নিয়ে তার প্রকৃত সামরিক পরিকল্পনা তিনি মধ্যপ্রাচ্যের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাছেও প্রকাশ করবেন না। সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এল যখন পারস্য উপসাগরে আমেরিকার বিশাল এক নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ট্রাম্পের মতে, বিস্তারিত প্রকাশ করলে তা পরিস্থিতি সমাধানের শান্তিপূর্ণ সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মার্কিন এই পরিকল্পনা আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া হবে একটি বড় ভুল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছে শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। ট্রাম্পের দাবি, এই বহরটি এর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় এবং শক্তিশালী। তবে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করলেও উভয় পক্ষই আলোচনার পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি জানিয়েছেন যে, প্রচারযুদ্ধের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার একটি কাঠামোগত ব্যবস্থা এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান কোনো যুদ্ধ চায় না কারণ যুদ্ধ কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।
ট্রাম্পের এই গোপনীয়তা এবং দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, তারা কেবল পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা নয়, বরং ইরানি নেতৃত্বের ওপর আঘাত হেনে দেশটিতে পুনরায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার মতো পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। ট্রাম্প বারবার কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইরানের ওপর ভবিষ্যতে কোনো আক্রমণ হলে তা হবে ইতিহাসের যেকোনো হামলার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিরাজমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান নিয়ে তার প্রকৃত সামরিক পরিকল্পনা তিনি মধ্যপ্রাচ্যের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাছেও প্রকাশ করবেন না। সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এল যখন পারস্য উপসাগরে আমেরিকার বিশাল এক নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ট্রাম্পের মতে, বিস্তারিত প্রকাশ করলে তা পরিস্থিতি সমাধানের শান্তিপূর্ণ সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মার্কিন এই পরিকল্পনা আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া হবে একটি বড় ভুল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছে শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। ট্রাম্পের দাবি, এই বহরটি এর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় এবং শক্তিশালী। তবে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করলেও উভয় পক্ষই আলোচনার পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি জানিয়েছেন যে, প্রচারযুদ্ধের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার একটি কাঠামোগত ব্যবস্থা এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান কোনো যুদ্ধ চায় না কারণ যুদ্ধ কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।
ট্রাম্পের এই গোপনীয়তা এবং দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, তারা কেবল পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা নয়, বরং ইরানি নেতৃত্বের ওপর আঘাত হেনে দেশটিতে পুনরায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার মতো পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। ট্রাম্প বারবার কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইরানের ওপর ভবিষ্যতে কোনো আক্রমণ হলে তা হবে ইতিহাসের যেকোনো হামলার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ।

আপনার মতামত লিখুন