গাজা উপত্যকায় কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলায় অন্তত ৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের সাত সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে গাজার সিভিল ডিফেন্স ও চিকিৎসা সূত্রগুলো। গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা।
ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, আগের দিন দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় হামাস যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করায় তারা এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, তারা হামাসের অস্ত্রাগার, উৎপাদন কেন্দ্র এবং গাজা সিটির একটি পুলিশ স্টেশনসহ বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে, অধিকাংশ হামলাই চালানো হয়েছে আবাসিক ভবন এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুতে।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের উত্তর-পশ্চিমে আসদা এলাকায়। সেখানে একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে হামলায় একই পরিবারের সাতজন—এক ব্যক্তি, তার তিন ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম গাজা সিটির রিমাল এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় তিন শিশু ও দুই নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। গাজা সিটির শেখ রেদওয়ান এলাকায় একটি পুলিশ স্টেশনে হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা ও বন্দিসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এই ভয়াবহ হামলার নিন্দা জানিয়ে হামাস বলেছে, ইসরায়েলের এই আক্রমণ প্রমাণ করে যে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই। কাতার, জর্ডান ও মিসর এই ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে। এমন এক সময়ে এই হামলা চালানো হলো যার পরদিন থেকেই রাফাহ সীমান্ত আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজা উপত্যকায় কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলায় অন্তত ৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের সাত সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে গাজার সিভিল ডিফেন্স ও চিকিৎসা সূত্রগুলো। গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা।
ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, আগের দিন দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় হামাস যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করায় তারা এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, তারা হামাসের অস্ত্রাগার, উৎপাদন কেন্দ্র এবং গাজা সিটির একটি পুলিশ স্টেশনসহ বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে, অধিকাংশ হামলাই চালানো হয়েছে আবাসিক ভবন এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুতে।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের উত্তর-পশ্চিমে আসদা এলাকায়। সেখানে একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে হামলায় একই পরিবারের সাতজন—এক ব্যক্তি, তার তিন ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম গাজা সিটির রিমাল এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় তিন শিশু ও দুই নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। গাজা সিটির শেখ রেদওয়ান এলাকায় একটি পুলিশ স্টেশনে হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা ও বন্দিসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এই ভয়াবহ হামলার নিন্দা জানিয়ে হামাস বলেছে, ইসরায়েলের এই আক্রমণ প্রমাণ করে যে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই। কাতার, জর্ডান ও মিসর এই ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করবে। এমন এক সময়ে এই হামলা চালানো হলো যার পরদিন থেকেই রাফাহ সীমান্ত আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন