ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারে এম মনজুর আলম


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারে এম মনজুর আলম


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক সময় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে রাজনীতি শুরু করা মনজুর আলম ২০১০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলটির সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হন। দীর্ঘ পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাও ছিলেন। তবে ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে তিনি রাজনীতি থেকে অবসরের কথা বলেন এবং পুনরায় আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বলয়ে ফিরে যান।

আওয়ামী লীগ আমলে তার ভাতিজা দিদারুল আলম সীতাকুণ্ড আসনে দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় মনজুর আলম শেখ রাসেলের নামে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণসহ শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় শামিল হন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফের নিজের অবস্থান বদলাতে শুরু করেন। ৫ আগস্ট রাতেই তিনি শেখ রাসেলের নামে গড়া স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্মরণসভার আয়োজন করে আলোচনায় আসেন।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম ৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর পক্ষে সপরিবারে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। মনজুর আলমের অনুসারীরা প্রচার করছেন যে বিএনপি জয়ী হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে ফিরবেন এবং আগামী সিটি নির্বাচনে আবারও মেয়র পদে লড়বেন। তবে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন যে মনজুর আলম তাদের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও তাকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে চাইছেন।

এ বিষয়ে এম মনজুর আলম দাবি করেছেন যে ২০১৫ সালে অবসরের পর তিনি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেননি। খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকে এবং দেশকে সঠিক পথে ফেরাতে তিনি বিএনপির পক্ষে কাজ করছেন বলে জানান। বেগম জিয়ার নামে তিনি বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানও রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। তবে আগামী সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেননি বলে জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারে এম মনজুর আলম

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক সময় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে রাজনীতি শুরু করা মনজুর আলম ২০১০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলটির সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হন। দীর্ঘ পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাও ছিলেন। তবে ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে তিনি রাজনীতি থেকে অবসরের কথা বলেন এবং পুনরায় আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বলয়ে ফিরে যান।

আওয়ামী লীগ আমলে তার ভাতিজা দিদারুল আলম সীতাকুণ্ড আসনে দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় মনজুর আলম শেখ রাসেলের নামে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণসহ শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় শামিল হন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফের নিজের অবস্থান বদলাতে শুরু করেন। ৫ আগস্ট রাতেই তিনি শেখ রাসেলের নামে গড়া স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্মরণসভার আয়োজন করে আলোচনায় আসেন।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম ৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর পক্ষে সপরিবারে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। মনজুর আলমের অনুসারীরা প্রচার করছেন যে বিএনপি জয়ী হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে ফিরবেন এবং আগামী সিটি নির্বাচনে আবারও মেয়র পদে লড়বেন। তবে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন যে মনজুর আলম তাদের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও তাকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে চাইছেন।

এ বিষয়ে এম মনজুর আলম দাবি করেছেন যে ২০১৫ সালে অবসরের পর তিনি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেননি। খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকে এবং দেশকে সঠিক পথে ফেরাতে তিনি বিএনপির পক্ষে কাজ করছেন বলে জানান। বেগম জিয়ার নামে তিনি বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানও রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। তবে আগামী সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেননি বলে জানিয়েছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ