কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের ভিটাদিয়া গ্রামে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হামলায় চাচা নিহত হয়েছেন। নিহত মাহমুদুল হাসান কামাল (কামাল মেম্বার) আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কামাল মেম্বার মাথায় গুরুতর আহত হন। হামলায় তার ছেলে কাঁকনও আহত হন।
আহত কামাল মেম্বারকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও সেগুলোর সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত কামাল মেম্বারের পরিবার দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের ভিটাদিয়া গ্রামে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হামলায় চাচা নিহত হয়েছেন। নিহত মাহমুদুল হাসান কামাল (কামাল মেম্বার) আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কামাল মেম্বার মাথায় গুরুতর আহত হন। হামলায় তার ছেলে কাঁকনও আহত হন।
আহত কামাল মেম্বারকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও সেগুলোর সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত কামাল মেম্বারের পরিবার দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন