যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালায়, তবে ইরানের পাল্টা হামলা আগের মতো আর সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে মার্কিন হামলার সঙ্গে সঙ্গেই ইরান চূড়ান্ত এবং দৃঢ়সংকল্পমূলক জবাব দেবে।
গত বছরের জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের শেষদিকে মার্কিন বিমানবাহিনী ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছিল। সেই সময় ইরানও কাতারে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি আল-উদেইদে মিসাইল ছুড়ে সীমিত জবাব দিয়েছিল। পরবর্তীতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। তবে জেনারেল আকরামিনিয়া এবার সতর্ক করে বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় হামলা চালানোর ভুল হিসাবনিকাশ করে, তবে পরিস্থিতি ট্রাম্পের ভাবনামতো হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে হামলা চালিয়ে দুই ঘণ্টা পর টুইট করে অভিযান শেষ করার দিন ফুরিয়ে গেছে।
ইরানি এই সেনাকর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও রণতরীগুলো ইরানি মিসাইলের মুখে অত্যন্ত দুর্বল। এছাড়া এই অঞ্চলে থাকা মার্কিনিদের সব সামরিক অবকাঠামো বর্তমানে ইরানের মধ্যম পাল্লার মিসাইলের আওতার মধ্যে রয়েছে। তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে ইরান এবার দীর্ঘমেয়াদী এবং বড় পরিসরের সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালায়, তবে ইরানের পাল্টা হামলা আগের মতো আর সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে মার্কিন হামলার সঙ্গে সঙ্গেই ইরান চূড়ান্ত এবং দৃঢ়সংকল্পমূলক জবাব দেবে।
গত বছরের জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের শেষদিকে মার্কিন বিমানবাহিনী ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছিল। সেই সময় ইরানও কাতারে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি আল-উদেইদে মিসাইল ছুড়ে সীমিত জবাব দিয়েছিল। পরবর্তীতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। তবে জেনারেল আকরামিনিয়া এবার সতর্ক করে বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় হামলা চালানোর ভুল হিসাবনিকাশ করে, তবে পরিস্থিতি ট্রাম্পের ভাবনামতো হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে হামলা চালিয়ে দুই ঘণ্টা পর টুইট করে অভিযান শেষ করার দিন ফুরিয়ে গেছে।
ইরানি এই সেনাকর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও রণতরীগুলো ইরানি মিসাইলের মুখে অত্যন্ত দুর্বল। এছাড়া এই অঞ্চলে থাকা মার্কিনিদের সব সামরিক অবকাঠামো বর্তমানে ইরানের মধ্যম পাল্লার মিসাইলের আওতার মধ্যে রয়েছে। তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে ইরান এবার দীর্ঘমেয়াদী এবং বড় পরিসরের সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন