পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর এর বিবৃতি অনুযায়ী বেলুচিস্তানের পাঞ্জগুর জেলায় প্রথম অভিযানে ৩০ জন এবং হারনাই জেলায় দ্বিতীয় অভিযানে আরও ১১ জন জঙ্গি নিহত হয়। গত বৃহস্পতিবার এই অভিযানগুলো চালানো হয় এবং এতে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হননি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে নিহত জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা এবং ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়া কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করা হয়েছে যে এই জঙ্গিরা প্রতিবেশী ভারত দ্বারা সমর্থিত ছিল।
বেলুচিস্তানের ওই দুই জেলায় অবশিষ্ট জঙ্গিদের নির্মূল করার জন্য এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই সফল অভিযানের জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ পৃথক বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেছেন।
বেলুচিস্তান প্রদেশটি দীর্ঘদিন ধরে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি-র বিদ্রোহী কার্যক্রমের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। আফগানিস্তান সীমান্তের নিকটবর্তী এই প্রদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা ও জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী তাদের দমন অভিযান জোরদার করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর এর বিবৃতি অনুযায়ী বেলুচিস্তানের পাঞ্জগুর জেলায় প্রথম অভিযানে ৩০ জন এবং হারনাই জেলায় দ্বিতীয় অভিযানে আরও ১১ জন জঙ্গি নিহত হয়। গত বৃহস্পতিবার এই অভিযানগুলো চালানো হয় এবং এতে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হননি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে নিহত জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা এবং ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়া কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করা হয়েছে যে এই জঙ্গিরা প্রতিবেশী ভারত দ্বারা সমর্থিত ছিল।
বেলুচিস্তানের ওই দুই জেলায় অবশিষ্ট জঙ্গিদের নির্মূল করার জন্য এখনো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই সফল অভিযানের জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ পৃথক বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেছেন।
বেলুচিস্তান প্রদেশটি দীর্ঘদিন ধরে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি-র বিদ্রোহী কার্যক্রমের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। আফগানিস্তান সীমান্তের নিকটবর্তী এই প্রদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা ও জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী তাদের দমন অভিযান জোরদার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন