ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় আলহাজ্ব মোঃ আবুল কাশেমের স্ত্রী মরহুমা মাহমুদা খাতুনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ শতাধিক অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, চশমা ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মাহমুদা-কাশেম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও মায়ের মাদরাসার উদ্যোগে এবং ভালুকা ভিশন সেন্টার ও ডাঃ কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও (বড়চালা) এলাকায় দিনব্যাপী এ মানবিক কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এতে ডাঃ প্রমার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বিনামূল্যে সেবা প্রদান করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ চোখের চিকিৎসা গ্রহণ করেন। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়।
চিকিৎসা নিতে আসা হবিরবাড়ী ইউনিয়নের গাংগাটিয়া গ্রামের ৭০ বছর বয়সী রহিমা খাতুন বলেন, “এক মাস ধইরা চোখে খুব সমস্যা। পয়সা না থাকায় চিকিৎসা করাইতে পারি নাই। মাইক মারছে শুনে আইছি—ফ্রি চোখ দেখবো, তাই এখানে আসছি।”
বিকেলে মরহুমা মাহমুদা খাতুনসহ এলাকার মৃতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইছালে সওয়াব মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রায় এক হাজার মুসল্লির মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার দাতা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বড়চালা কেন্দ্রীয় মসজিদ ও মাদরাসার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম সরকার, প্রভাষক জাহান আশরাফ, বিসমিল্লাহ সুইটসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ উল্লাহ আলম, শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক রোমান আহমেদ নকিব, স্বেচ্ছাসেবী খালিদ জামিল কাব্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্যরা।
মায়ের মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি হাবিব জিহাদী বলেন, “আম্মার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বাস্তব সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, মরহুমা মাহমুদা খাতুন সাংবাদিক সফিউল্লাহ আনসারীর গর্ভধারিনী মা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় আলহাজ্ব মোঃ আবুল কাশেমের স্ত্রী মরহুমা মাহমুদা খাতুনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ শতাধিক অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, চশমা ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মাহমুদা-কাশেম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও মায়ের মাদরাসার উদ্যোগে এবং ভালুকা ভিশন সেন্টার ও ডাঃ কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও (বড়চালা) এলাকায় দিনব্যাপী এ মানবিক কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এতে ডাঃ প্রমার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বিনামূল্যে সেবা প্রদান করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ চোখের চিকিৎসা গ্রহণ করেন। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়।
চিকিৎসা নিতে আসা হবিরবাড়ী ইউনিয়নের গাংগাটিয়া গ্রামের ৭০ বছর বয়সী রহিমা খাতুন বলেন, “এক মাস ধইরা চোখে খুব সমস্যা। পয়সা না থাকায় চিকিৎসা করাইতে পারি নাই। মাইক মারছে শুনে আইছি—ফ্রি চোখ দেখবো, তাই এখানে আসছি।”
বিকেলে মরহুমা মাহমুদা খাতুনসহ এলাকার মৃতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইছালে সওয়াব মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রায় এক হাজার মুসল্লির মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার দাতা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বড়চালা কেন্দ্রীয় মসজিদ ও মাদরাসার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম সরকার, প্রভাষক জাহান আশরাফ, বিসমিল্লাহ সুইটসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ উল্লাহ আলম, শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক রোমান আহমেদ নকিব, স্বেচ্ছাসেবী খালিদ জামিল কাব্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্যরা।
মায়ের মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি হাবিব জিহাদী বলেন, “আম্মার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বাস্তব সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, মরহুমা মাহমুদা খাতুন সাংবাদিক সফিউল্লাহ আনসারীর গর্ভধারিনী মা।

আপনার মতামত লিখুন