আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে চিকিৎসা খাতের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেশটির প্রথম জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল উদ্বোধন করা হয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশেই উন্নত ক্যান্সার চিকিৎসা নিশ্চিত করা, যাতে রোগীদের আর ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাড়ি দিতে না হয়। হাসপাতালটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আফগান স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। উদ্বোধনকালে আফগান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলানা নূর জালাল জালালী জানান, আমীরুল মুমিনীন হাফিজাহুল্লাহর সরাসরি অনুমোদন ও নির্দেশনায় জনস্বার্থ রক্ষায় এই বিশেষায়িত হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটি বর্তমানে ক্যান্সার নির্ণয় ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী বছর থেকে আরও উচ্চ ক্ষমতার বিশেষায়িত সেবা প্রদান শুরু করবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিভাগের উপমন্ত্রী মাওলানা আব্দুল ওয়ালী হাক্কানি এই উদ্যোগকে স্বাস্থ্য খাতের একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এর আগে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল না থাকায় আফগান রোগীরা বিদেশে যেতে বাধ্য হতেন, যার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যেত। মন্ত্রণালয় এখন দেশের অভ্যন্তরেই আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চিকিৎসার খরচ কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা এবং রোগীদের ভোগান্তি লাঘব করা। নতুন এই জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালটি আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য খাতের স্বনির্ভরতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে চিকিৎসা খাতের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেশটির প্রথম জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল উদ্বোধন করা হয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশেই উন্নত ক্যান্সার চিকিৎসা নিশ্চিত করা, যাতে রোগীদের আর ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাড়ি দিতে না হয়। হাসপাতালটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আফগান স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। উদ্বোধনকালে আফগান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলানা নূর জালাল জালালী জানান, আমীরুল মুমিনীন হাফিজাহুল্লাহর সরাসরি অনুমোদন ও নির্দেশনায় জনস্বার্থ রক্ষায় এই বিশেষায়িত হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটি বর্তমানে ক্যান্সার নির্ণয় ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী বছর থেকে আরও উচ্চ ক্ষমতার বিশেষায়িত সেবা প্রদান শুরু করবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিভাগের উপমন্ত্রী মাওলানা আব্দুল ওয়ালী হাক্কানি এই উদ্যোগকে স্বাস্থ্য খাতের একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এর আগে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল না থাকায় আফগান রোগীরা বিদেশে যেতে বাধ্য হতেন, যার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যেত। মন্ত্রণালয় এখন দেশের অভ্যন্তরেই আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চিকিৎসার খরচ কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা এবং রোগীদের ভোগান্তি লাঘব করা। নতুন এই জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালটি আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য খাতের স্বনির্ভরতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন