জামিন আদেশের কপি ২৮ জানুয়ারি দুপুরে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে, তার ভিত্তিতে কারা কর্মকর্তারা বেলা ২টার দিকে সাদ্দামকে মুক্তি দেন। কারা সূত্র ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার জানান, আদেশের কপি পাওয়ার পর সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশটি মূলত ছিলো আন্তর্বর্তী (অন্তর্বর্তীকালীন) জামিন, যেখানে বলা হয়েছে সাদ্দাম আগামী ছয় মাসের জন্য জামিনে থাকতে পারবেন সকল মামলা মিলিয়ে। এতে বলা হয়, তার পরিবারের অতীত পরিস্থিতি, স্ত্রী‑সন্তানের আকস্মিক মৃত্যু এবং মানবিক কারণে তাকে রিমান্ডে রাখা যুক্তিসংগত নয়। যদিও আদেশের নিজস্ব “আদেশের কপি টেক্সট” জনসমক্ষে প্রকাশ হয়নি, আদালতের আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে আদেশে এই পরিস্থিতির দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে সাদ্দাম বাগেরহাটে পৌঁছে স্ত্রী ও সন্তানের কবর জিয়ারত করেন এবং সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানকে কোলে নিতে পারিনি; মৃত্যুর পরই জামিন পেয়েছি।” তিনি বলেন, মানবিক দিক থেকে এই জামিনে মুক্তি থাকা উচিত ছিল বেঁচে থাকা অবস্থায়—এটাই হওয়া উচিত ছিল।
পরিবারের সদস্যরা আদালতের এই আদেশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। তার মা বলেন, জামিন পাওয়া স্বাভাবিকভাবে ভালো, তবে স্ত্রী ও সন্তান জীবিত থাকা অবস্থায় পারলে জামিন পেতেন, সেটা না হওয়া ছিল দুঃখের বিষয়। একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও নেতাকর্মীদের মধ্যেও এই জামিন প্রদান নিয়ে সমালোচনা এবং মানবিক ব্যর্থতার বর্ণনা উঠে এসেছে।
জামিন পাওয়ার এই আদেশের ফলে সাদ্দামের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলায় সে প্রায় সকল মামলা মিলিয়ে (সাতটি মামলা) জামিন পেয়ে মুক্তি পেয়েছেন, যার মধ্যে এই সর্বশেষ ৬‑মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন অন্যতম।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
জামিন আদেশের কপি ২৮ জানুয়ারি দুপুরে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে, তার ভিত্তিতে কারা কর্মকর্তারা বেলা ২টার দিকে সাদ্দামকে মুক্তি দেন। কারা সূত্র ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার জানান, আদেশের কপি পাওয়ার পর সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশটি মূলত ছিলো আন্তর্বর্তী (অন্তর্বর্তীকালীন) জামিন, যেখানে বলা হয়েছে সাদ্দাম আগামী ছয় মাসের জন্য জামিনে থাকতে পারবেন সকল মামলা মিলিয়ে। এতে বলা হয়, তার পরিবারের অতীত পরিস্থিতি, স্ত্রী‑সন্তানের আকস্মিক মৃত্যু এবং মানবিক কারণে তাকে রিমান্ডে রাখা যুক্তিসংগত নয়। যদিও আদেশের নিজস্ব “আদেশের কপি টেক্সট” জনসমক্ষে প্রকাশ হয়নি, আদালতের আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে আদেশে এই পরিস্থিতির দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে সাদ্দাম বাগেরহাটে পৌঁছে স্ত্রী ও সন্তানের কবর জিয়ারত করেন এবং সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানকে কোলে নিতে পারিনি; মৃত্যুর পরই জামিন পেয়েছি।” তিনি বলেন, মানবিক দিক থেকে এই জামিনে মুক্তি থাকা উচিত ছিল বেঁচে থাকা অবস্থায়—এটাই হওয়া উচিত ছিল।
পরিবারের সদস্যরা আদালতের এই আদেশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। তার মা বলেন, জামিন পাওয়া স্বাভাবিকভাবে ভালো, তবে স্ত্রী ও সন্তান জীবিত থাকা অবস্থায় পারলে জামিন পেতেন, সেটা না হওয়া ছিল দুঃখের বিষয়। একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও নেতাকর্মীদের মধ্যেও এই জামিন প্রদান নিয়ে সমালোচনা এবং মানবিক ব্যর্থতার বর্ণনা উঠে এসেছে।
জামিন পাওয়ার এই আদেশের ফলে সাদ্দামের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলায় সে প্রায় সকল মামলা মিলিয়ে (সাতটি মামলা) জামিন পেয়ে মুক্তি পেয়েছেন, যার মধ্যে এই সর্বশেষ ৬‑মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন অন্যতম।

আপনার মতামত লিখুন