বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে যান তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই প্রতিনিধিদলে দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট এবং পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষই বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়া ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় করণীয় বিভিন্ন দিক নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৈঠকে আমিরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের এই ধারাবাহিক যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে যান তিনি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই প্রতিনিধিদলে দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট এবং পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষই বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়া ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় করণীয় বিভিন্ন দিক নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৈঠকে আমিরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের এই ধারাবাহিক যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন