আফগানিস্তানের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রচলিত কোনো আইন বা নীতিমালায় ইসলামি শরিয়াহর পরিপন্থী কোনো বিধান নেই বলে দাবি করেছে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, দেশটির প্রতিটি আইনি নথি ও সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইসলামি শরিয়াহর উৎস থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
আফগান বিচার মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিটি আইন ও উপধারা কুরআন, সুন্নাহ এবং প্রামাণ্য হানাফি ফিকহ শাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশটির জ্যেষ্ঠ আলেমদের সমন্বয়ে গঠিত একাধিক কমিটি সরাসরি যুক্ত থাকে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট এবং ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর থেকে এই আইনগুলো বারবার পর্যালোচনা ও যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, রাষ্ট্রের এসব আইনি নথির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা আপত্তি জানানো মানেই হলো সরাসরি ইসলামি শরিয়াহর বিরোধিতা করা। যারা এই আইনের ভুল ব্যাখ্যা দেবে বা অবমাননা করবে, তাদের বিচারিক ও আইনি ব্যবস্থার আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যারা এই আইনের বিরোধিতা করছে তারা হয় অজ্ঞতাবশত এটি করছে, নতুবা তারা ইচ্ছাকৃতভাবে শরিয়াহকে উপেক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে যা শরিয়তের দৃষ্টিতে অপরাধ।
আফগান সরকারের এই কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দেশটির নারী অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর আরোপিত কিছু আইনি বিধিনিষেধ নিয়ে বহির্বিশ্বে যে সমালোচনা চলছে, বিচার মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিকে তারই পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। আফগান কর্মকর্তাদের মতে, তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং এখানে বিদেশি কোনো মতাদর্শ বা আইনের অবকাশ নেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রচলিত কোনো আইন বা নীতিমালায় ইসলামি শরিয়াহর পরিপন্থী কোনো বিধান নেই বলে দাবি করেছে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, দেশটির প্রতিটি আইনি নথি ও সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইসলামি শরিয়াহর উৎস থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
আফগান বিচার মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিটি আইন ও উপধারা কুরআন, সুন্নাহ এবং প্রামাণ্য হানাফি ফিকহ শাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশটির জ্যেষ্ঠ আলেমদের সমন্বয়ে গঠিত একাধিক কমিটি সরাসরি যুক্ত থাকে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট এবং ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর থেকে এই আইনগুলো বারবার পর্যালোচনা ও যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, রাষ্ট্রের এসব আইনি নথির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা আপত্তি জানানো মানেই হলো সরাসরি ইসলামি শরিয়াহর বিরোধিতা করা। যারা এই আইনের ভুল ব্যাখ্যা দেবে বা অবমাননা করবে, তাদের বিচারিক ও আইনি ব্যবস্থার আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যারা এই আইনের বিরোধিতা করছে তারা হয় অজ্ঞতাবশত এটি করছে, নতুবা তারা ইচ্ছাকৃতভাবে শরিয়াহকে উপেক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে যা শরিয়তের দৃষ্টিতে অপরাধ।
আফগান সরকারের এই কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দেশটির নারী অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর আরোপিত কিছু আইনি বিধিনিষেধ নিয়ে বহির্বিশ্বে যে সমালোচনা চলছে, বিচার মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিকে তারই পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। আফগান কর্মকর্তাদের মতে, তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং এখানে বিদেশি কোনো মতাদর্শ বা আইনের অবকাশ নেই।

আপনার মতামত লিখুন