আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে কোনো প্রকার গণ্ডগোল বা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মূলত যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই দেশে গণ্ডগোলের কথা ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান যে বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো যথেষ্ট সংযত আচরণ করছে। তবে নির্বাচনে যদি কোনো ধরনের সহিংসতা ঘটে, তবে তার দায়ভার নির্বাচনে অংশ না নেওয়া দলগুলোকেই নিতে হবে। সরকার চায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক উপস্থিত থাকুক। ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক আসতে চাইলে তাদের ভিসার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করা হবে।
ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার সংক্রান্ত ব্যাখ্যা ভারত তাদের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হতে পারে। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে কূটনীতিক বা তাদের পরিবার বিপদে পড়বে। ভারত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা সরকারকে জানায়নি। তবে তাদের এই পদক্ষেপের পেছনে কোনো বিশেষ সংকেত আছে কি না, তা সরকারের কাছে স্পষ্ট নয়।
রোহিঙ্গা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ছোটখাটো প্রশাসনিক বা পাসপোর্টের জটিলতায় এই প্রক্রিয়া আটকে থাকবে না। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আরাকানের অধিবাসী এবং তাদের ফেরত পাঠানোই মূল লক্ষ্য। এছাড়া চীনের সহায়তায় ড্রোন কারখানা স্থাপন এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে বাংলাদেশ তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেবে এবং প্রয়োজনে যেকোনো দেশের সাহায্য নেবে।
অন্যান্য প্রসঙ্গ ব্যস্ততার কারণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকটি সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে ওমর হাদির নিয়োগ বহাল থাকার বিষয়টিও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে কোনো প্রকার গণ্ডগোল বা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মূলত যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই দেশে গণ্ডগোলের কথা ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান যে বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো যথেষ্ট সংযত আচরণ করছে। তবে নির্বাচনে যদি কোনো ধরনের সহিংসতা ঘটে, তবে তার দায়ভার নির্বাচনে অংশ না নেওয়া দলগুলোকেই নিতে হবে। সরকার চায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক উপস্থিত থাকুক। ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক আসতে চাইলে তাদের ভিসার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করা হবে।
ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার সংক্রান্ত ব্যাখ্যা ভারত তাদের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হতে পারে। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে কূটনীতিক বা তাদের পরিবার বিপদে পড়বে। ভারত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা সরকারকে জানায়নি। তবে তাদের এই পদক্ষেপের পেছনে কোনো বিশেষ সংকেত আছে কি না, তা সরকারের কাছে স্পষ্ট নয়।
রোহিঙ্গা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ছোটখাটো প্রশাসনিক বা পাসপোর্টের জটিলতায় এই প্রক্রিয়া আটকে থাকবে না। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আরাকানের অধিবাসী এবং তাদের ফেরত পাঠানোই মূল লক্ষ্য। এছাড়া চীনের সহায়তায় ড্রোন কারখানা স্থাপন এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে বাংলাদেশ তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেবে এবং প্রয়োজনে যেকোনো দেশের সাহায্য নেবে।
অন্যান্য প্রসঙ্গ ব্যস্ততার কারণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকটি সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে ওমর হাদির নিয়োগ বহাল থাকার বিষয়টিও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন