বান্দরবান লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলন ও ইট উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগে ৫টি ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত লামা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিদ্ধান্তে FAC, MMB, MHB, 3BM ও SBW নামের পাঁচটি ইটভাটাকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় প্রমাণ হিসেবে পাহাড় কাটা, মাটি উত্তোলন এবং ইট উৎপাদন সংক্রান্ত নথি ও দৃশ্যমান ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড় ও প্রাকৃতিক সম্পদের অবৈধ ধ্বংস রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত এ ধরনের অপরাধীদের জন্য ‘জরিমানা ও কার্যক্রম স্থগিত’ নীতিকে কার্যকর রাখছে। স্থানীয়দেরও সচেতন হওয়ার জন্য প্রশাসন বারবার সতর্ক করেছে, যাতে পাহাড় ও বনাঞ্চলের অবৈধ ব্যবহার রোধ করা যায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বান্দরবান লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলন ও ইট উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগে ৫টি ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত লামা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিদ্ধান্তে FAC, MMB, MHB, 3BM ও SBW নামের পাঁচটি ইটভাটাকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় প্রমাণ হিসেবে পাহাড় কাটা, মাটি উত্তোলন এবং ইট উৎপাদন সংক্রান্ত নথি ও দৃশ্যমান ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড় ও প্রাকৃতিক সম্পদের অবৈধ ধ্বংস রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত এ ধরনের অপরাধীদের জন্য ‘জরিমানা ও কার্যক্রম স্থগিত’ নীতিকে কার্যকর রাখছে। স্থানীয়দেরও সচেতন হওয়ার জন্য প্রশাসন বারবার সতর্ক করেছে, যাতে পাহাড় ও বনাঞ্চলের অবৈধ ব্যবহার রোধ করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন