“একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই” – এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর আয়োজনে সকাল ১০টায় ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গা মুক্তমঞ্চে এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
প্রধান আকর্ষণ ছিল চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের তিন শীর্ষ প্রার্থীর সাধারণ নাগরিকদের সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পারেন এবং চুয়াডাঙ্গা গড়ার প্রতিশ্রুতি শুনেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রধান তিন প্রতিদ্বন্দ্বী:
বিএনপি প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ অনুষ্ঠানে বলেন, “আমি এবং আমার দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চুয়াডাঙ্গা শহরের দীর্ঘস্থায়ী যানজট নিরসনের জন্য ২০২৬ সালের মধ্যে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করব। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের মধ্যে যিনি নির্বাচিত হোন না কেন, নাগরিকদের কাছে কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবেন। নাগরিকরা যেকোনো স্থানে আমাদের প্রশ্ন করলে আমরা তা উত্তর দিতে প্রস্তুত থাকব।”
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “আমরা চুয়াডাঙ্গাকে সিন্ডিকেটমুক্ত এবং কৃষিবান্ধব বাজার ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমরা বিশেষ উদ্যোগ নেব। এছাড়া ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে আমাদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান থাকবে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে সনদ কার্যকর হবে, অন্যথায় ফ্যাসিস্টরা পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবে।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জহুরুল ইসলাম তার বক্তব্যে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি ন্যায়পরায়ণ সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সুজন চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ইকবাল আতাহার তাঁজ, পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক আজাদ মালিথা, দৈনিক আমাদের সংবাদ প্রতিকার সম্পাদক রুহুল আমিন রতন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি নাজমুল হক স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি। এছাড়া দৈনিক বিজনেস ফাইল ও নববাণী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক সচেতন নাগরিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেন এবং প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন যে, নির্বাচিত হলে নাগরিকদের অধিকার রক্ষা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হবে তাদের সরকারের মূল অঙ্গীকার।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
“একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই” – এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর আয়োজনে সকাল ১০টায় ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গা মুক্তমঞ্চে এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
প্রধান আকর্ষণ ছিল চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের তিন শীর্ষ প্রার্থীর সাধারণ নাগরিকদের সরাসরি প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি জানতে পারেন এবং চুয়াডাঙ্গা গড়ার প্রতিশ্রুতি শুনেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রধান তিন প্রতিদ্বন্দ্বী:
বিএনপি প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ অনুষ্ঠানে বলেন, “আমি এবং আমার দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চুয়াডাঙ্গা শহরের দীর্ঘস্থায়ী যানজট নিরসনের জন্য ২০২৬ সালের মধ্যে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করব। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের মধ্যে যিনি নির্বাচিত হোন না কেন, নাগরিকদের কাছে কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবেন। নাগরিকরা যেকোনো স্থানে আমাদের প্রশ্ন করলে আমরা তা উত্তর দিতে প্রস্তুত থাকব।”
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “আমরা চুয়াডাঙ্গাকে সিন্ডিকেটমুক্ত এবং কৃষিবান্ধব বাজার ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমরা বিশেষ উদ্যোগ নেব। এছাড়া ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে আমাদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান থাকবে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে সনদ কার্যকর হবে, অন্যথায় ফ্যাসিস্টরা পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবে।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জহুরুল ইসলাম তার বক্তব্যে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি ন্যায়পরায়ণ সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সুজন চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ইকবাল আতাহার তাঁজ, পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক আজাদ মালিথা, দৈনিক আমাদের সংবাদ প্রতিকার সম্পাদক রুহুল আমিন রতন, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি নাজমুল হক স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি। এছাড়া দৈনিক বিজনেস ফাইল ও নববাণী পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক সচেতন নাগরিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেন এবং প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন যে, নির্বাচিত হলে নাগরিকদের অধিকার রক্ষা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হবে তাদের সরকারের মূল অঙ্গীকার।

আপনার মতামত লিখুন