নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধের একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। ফেসবুক আইডি হ্যাক করে এক শিক্ষকের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি এবং টাকা না দেওয়ায় ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী হলেন লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক কাজী আল মামুন (৩৮)। তিনি এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর ১৪৫৭, ট্র্যাকিং নম্বর 9LQTDG, তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬।
জিডি সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা একটি সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজী আল মামুনের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি “Kazi Al Mamun”-এ অনুপ্রবেশ করে। বিষয়টি প্রথমে তিনি বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে একটি হ্যাকার গ্রুপের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, নড়াইল জেলার কোনো একটি এলাকা থেকে একটি ইন্ডিয়ান শাওমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার ফেসবুক আইডিতে নিয়মিত লগইন করা হচ্ছিল।
ভুক্তভোগী শিক্ষক কাজী আল মামুন বলেন,
“আমার ফেসবুক আইডিটি বেশ কিছুদিন আগেই হ্যাক করা হয়েছিল, কিন্তু আমি তা বুঝতে পারিনি। পরে জানতে পারি, একটি সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্র আমার আইডি নিয়ন্ত্রণ করছে। গত ২১ জানুয়ারি আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, ২৪ জানুয়ারি কয়েকটি অপরিচিত ফেসবুক আইডি থেকে আমার মেসেঞ্জার হ্যাক করে সেখানকার কিছু ছবি বিকৃত ও মডিফাই করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন,
“এই ঘটনায় আমার সামাজিক সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমি একজন শিক্ষক—আমার সম্মানই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমি ও আমার পরিবার চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, হ্যাকাররা মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ভুয়া আইডির সঙ্গে চ্যাটিং দেখিয়ে স্ক্রিনশট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা স্পষ্টতই মানহানি, চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ডিউটি অফিসার রেশমা খাতুন (বিপি-৮৮০৭১১৫২৯৮) সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণ করেন। ডায়েরিটি প্রস্তুত করেন মোঃ মাসুদ রানা। বিষয়টি পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন এসআই (নিরস্ত্র) শাহিন মিয়া (বিপি-৯১১৭১৯৯৭০০)।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রহমান (বিপি-৮৪০৮১২০৮৯৪) জানান,
“বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট হওয়ায় প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধের একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। ফেসবুক আইডি হ্যাক করে এক শিক্ষকের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি এবং টাকা না দেওয়ায় ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী হলেন লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক কাজী আল মামুন (৩৮)। তিনি এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর ১৪৫৭, ট্র্যাকিং নম্বর 9LQTDG, তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬।
জিডি সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা একটি সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজী আল মামুনের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি “Kazi Al Mamun”-এ অনুপ্রবেশ করে। বিষয়টি প্রথমে তিনি বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে একটি হ্যাকার গ্রুপের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, নড়াইল জেলার কোনো একটি এলাকা থেকে একটি ইন্ডিয়ান শাওমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার ফেসবুক আইডিতে নিয়মিত লগইন করা হচ্ছিল।
ভুক্তভোগী শিক্ষক কাজী আল মামুন বলেন,
“আমার ফেসবুক আইডিটি বেশ কিছুদিন আগেই হ্যাক করা হয়েছিল, কিন্তু আমি তা বুঝতে পারিনি। পরে জানতে পারি, একটি সংঘবদ্ধ হ্যাকার চক্র আমার আইডি নিয়ন্ত্রণ করছে। গত ২১ জানুয়ারি আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, ২৪ জানুয়ারি কয়েকটি অপরিচিত ফেসবুক আইডি থেকে আমার মেসেঞ্জার হ্যাক করে সেখানকার কিছু ছবি বিকৃত ও মডিফাই করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন,
“এই ঘটনায় আমার সামাজিক সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমি একজন শিক্ষক—আমার সম্মানই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। আমি ও আমার পরিবার চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, হ্যাকাররা মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ভুয়া আইডির সঙ্গে চ্যাটিং দেখিয়ে স্ক্রিনশট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা স্পষ্টতই মানহানি, চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ডিউটি অফিসার রেশমা খাতুন (বিপি-৮৮০৭১১৫২৯৮) সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণ করেন। ডায়েরিটি প্রস্তুত করেন মোঃ মাসুদ রানা। বিষয়টি পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন এসআই (নিরস্ত্র) শাহিন মিয়া (বিপি-৯১১৭১৯৯৭০০)।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রহমান (বিপি-৮৪০৮১২০৮৯৪) জানান,
“বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট হওয়ায় প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন