এনসিপির মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন যে ৫ আগস্টের আগে যারা বাকশক্তিহীন ছিলেন, তারা আজ বাকশক্তি ফিরে পেয়েছেন। তবে পরিতাপের বিষয় হলো, তারা বাকশক্তি ফিরে পেয়েই সেই জুলাই যোদ্ধাদের ভুলে গেছেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার শাকতলা এলাকায় এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দম্ভের সমালোচনা করে বলেন যে পরিবর্তনের দেড় বছর পার না হতেই অনেকের মধ্যে ব্যাপক অহংকার চলে এসেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যারা একসময় মুখ খুলতে পারতেন না, আজ তারা জনসভায় নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন এবং বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন। তাদের কমিটিতে এখন লোকের অভাব নেই এবং চারদিকে জৌলুস বেড়েছে। কিন্তু যে আবু বক্করদের মতো যোদ্ধারা নিজের বাকশক্তি হারিয়ে অন্যদের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, তাদের আদর্শ নিয়ে আজ কেউ কথা বলছে না।
জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ আলোচনা করছে না বলে অভিযোগ করেন হাসনাত। তিনি বলেন, আবু বক্কর বা মাইনুদ্দিনরা যে সুনির্দিষ্ট পরিবর্তনের জন্য রাজপথে নেমে জীবন দিয়েছিলেন বা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সেই লক্ষ্যগুলো আজ আলোচনার বাইরে চলে গেছে। নেতা-কর্মীরা ক্ষমতার মোহে মগ্ন হয়ে সেই মূল চেতনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বিগত সরকারের পতনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন যে মাটির ওপরে মানুষের এই দম্ভ বেশিক্ষণ টিকে থাকে না। তিনি ফ্যাসিবাদের পতনের উদাহরণ টেনে সতর্ক করে বলেন যে সময় কখনো কোনো অপরাধীকে ছেড়ে দেয় না। তিনি স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন যে দম্ভ বা অহংকার নয়, বরং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
এনসিপির মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন যে ৫ আগস্টের আগে যারা বাকশক্তিহীন ছিলেন, তারা আজ বাকশক্তি ফিরে পেয়েছেন। তবে পরিতাপের বিষয় হলো, তারা বাকশক্তি ফিরে পেয়েই সেই জুলাই যোদ্ধাদের ভুলে গেছেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ তারা কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার শাকতলা এলাকায় এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দম্ভের সমালোচনা করে বলেন যে পরিবর্তনের দেড় বছর পার না হতেই অনেকের মধ্যে ব্যাপক অহংকার চলে এসেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যারা একসময় মুখ খুলতে পারতেন না, আজ তারা জনসভায় নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন এবং বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন। তাদের কমিটিতে এখন লোকের অভাব নেই এবং চারদিকে জৌলুস বেড়েছে। কিন্তু যে আবু বক্করদের মতো যোদ্ধারা নিজের বাকশক্তি হারিয়ে অন্যদের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, তাদের আদর্শ নিয়ে আজ কেউ কথা বলছে না।
জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ আলোচনা করছে না বলে অভিযোগ করেন হাসনাত। তিনি বলেন, আবু বক্কর বা মাইনুদ্দিনরা যে সুনির্দিষ্ট পরিবর্তনের জন্য রাজপথে নেমে জীবন দিয়েছিলেন বা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সেই লক্ষ্যগুলো আজ আলোচনার বাইরে চলে গেছে। নেতা-কর্মীরা ক্ষমতার মোহে মগ্ন হয়ে সেই মূল চেতনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বিগত সরকারের পতনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন যে মাটির ওপরে মানুষের এই দম্ভ বেশিক্ষণ টিকে থাকে না। তিনি ফ্যাসিবাদের পতনের উদাহরণ টেনে সতর্ক করে বলেন যে সময় কখনো কোনো অপরাধীকে ছেড়ে দেয় না। তিনি স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন যে দম্ভ বা অহংকার নয়, বরং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন