ঢাকা‑৮ আসনের নির্বাচনী প্রচারণার সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১‑দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর আজ (২৭ জানুয়ারী) দুপুরে ডিম নিক্ষেপ ও সহিংস আচরণের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘটে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে, যেখানে পাটওয়ারী নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেন। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভিড়ের কিছু অংশ তাকে কলেজে ঢুকতে বাধা দেয় এবং “ভুয়া” স্লোগান দিতে থাকে। একই সময়ে কিছু লোক পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এই দৃশ্যও ধরা পড়েছে।
পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, তবে ঘটনা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলা ও বাধা প্রদর্শন কেবল অগণতান্ত্রিক নয়, এটি রাষ্ট্রের আইনের প্রতি অবমাননা। তিনি দাবি করেন, দোষীদের আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজ দলের প্রতি সহিংস আচরণের জন্য তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং নির্বাচনী পরিবেশকে নষ্ট করার চেষ্টার অংশ।
এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও অন্যান্য স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনও এই হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবি পার্টির সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় এই ধরনের সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়।
স্থানীয়রা শান্তিনগরে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করেছে, যাতে পাটওয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এনসিপির কনভিনার নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যদি নিরাপদ ও “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নিশ্চিত করা না হয়, তারা আন্দোলনের পথেও যেতে পারে।
আজকের এই ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো দোষীদের শাস্তি এবং নির্বাচনের নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা‑৮ আসনের নির্বাচনী প্রচারণার সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১‑দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর আজ (২৭ জানুয়ারী) দুপুরে ডিম নিক্ষেপ ও সহিংস আচরণের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘটে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে, যেখানে পাটওয়ারী নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেন। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভিড়ের কিছু অংশ তাকে কলেজে ঢুকতে বাধা দেয় এবং “ভুয়া” স্লোগান দিতে থাকে। একই সময়ে কিছু লোক পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এই দৃশ্যও ধরা পড়েছে।
পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, তবে ঘটনা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলা ও বাধা প্রদর্শন কেবল অগণতান্ত্রিক নয়, এটি রাষ্ট্রের আইনের প্রতি অবমাননা। তিনি দাবি করেন, দোষীদের আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজ দলের প্রতি সহিংস আচরণের জন্য তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং নির্বাচনী পরিবেশকে নষ্ট করার চেষ্টার অংশ।
এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও অন্যান্য স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনও এই হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবি পার্টির সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় এই ধরনের সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়।
স্থানীয়রা শান্তিনগরে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করেছে, যাতে পাটওয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এনসিপির কনভিনার নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যদি নিরাপদ ও “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নিশ্চিত করা না হয়, তারা আন্দোলনের পথেও যেতে পারে।
আজকের এই ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো দোষীদের শাস্তি এবং নির্বাচনের নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন