উত্তর কোরিয়া আজ (মঙ্গলবার) পিয়ংইয়ংয়ের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল থেকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা কোরিয়ান উপদ্বীপ ও জাপান সাগরের মধ্যে সমুদ্র অঞ্চলে পড়েছে। এই ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজিত করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ (JCS) জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থানীয় সময় দুপুর ও বিকেল ৩:৫০ টার দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, এবং এখনও এর সঠিক পরিসীমা ও গতি যাচাই করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া এই ঘটনাকে নজরদারিতে রেখেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
জাপানের কোস্ট গার্ড ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (EEZ) বাইরে পড়েছে। তবুও জাপান নাগরিক ও নৌযান চলাচলের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং প্রযুক্তি যাচাই করার পাশাপাশি কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। তারা এটিকে ওয়ার্কার্স পার্টি কংগ্রেস বা শাসক দলের বড় রাজনৈতিক সম্মেলনের আগে ক্ষমতার প্রদর্শনী হিসেবে দেখছেন।
এটি এই মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এ ধরনের উৎক্ষেপণ। এর আগে ৪ জানুয়ারি উত্তর কোরিয়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল, যা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে পড়েছিল।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নিক্ষেপকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা সামরিক পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতা অবলম্বন করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আরও বড় আঞ্চলিক সংকটের সূচনা করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
উত্তর কোরিয়া আজ (মঙ্গলবার) পিয়ংইয়ংয়ের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল থেকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা কোরিয়ান উপদ্বীপ ও জাপান সাগরের মধ্যে সমুদ্র অঞ্চলে পড়েছে। এই ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজিত করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ (JCS) জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থানীয় সময় দুপুর ও বিকেল ৩:৫০ টার দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, এবং এখনও এর সঠিক পরিসীমা ও গতি যাচাই করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া এই ঘটনাকে নজরদারিতে রেখেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
জাপানের কোস্ট গার্ড ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (EEZ) বাইরে পড়েছে। তবুও জাপান নাগরিক ও নৌযান চলাচলের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং প্রযুক্তি যাচাই করার পাশাপাশি কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। তারা এটিকে ওয়ার্কার্স পার্টি কংগ্রেস বা শাসক দলের বড় রাজনৈতিক সম্মেলনের আগে ক্ষমতার প্রদর্শনী হিসেবে দেখছেন।
এটি এই মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এ ধরনের উৎক্ষেপণ। এর আগে ৪ জানুয়ারি উত্তর কোরিয়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল, যা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে পড়েছিল।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নিক্ষেপকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা সামরিক পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতা অবলম্বন করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আরও বড় আঞ্চলিক সংকটের সূচনা করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন