বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রবাসে শ্রমিক পাঠানোর আগে তাদের কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের শুধু কারিগরি দক্ষতাই নয়, বরং মানসিকভাবেও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) গ্লোবাল বাংলাদেশি এক্সপেট্রিয়েটস সামিট-২০২৬ এর উদ্যোগে 'প্রবাসীদের অধিকার এবং আজ ও আগামীর ভাবনা' শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আব্দুল মঈন খান বলেন, প্রবাসীরা তাদের পরিবারের কাছে অর্থ পাঠান। পরিবারগুলো এই অর্থ ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করে, কোনো বিনিয়োগে নিয়োজিত করে না। রাষ্ট্র এসব অর্থ বিনিয়োগে ব্যবহার করে প্রবাসীদের অংশ দিতে পারে। এ ধরনের কাজ সফলভাবে করতে পারলে বিদেশিদের কাছে হাত পাততে হবে না।
মঈন খান আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশে ফিরে প্রথম কয়েক বছর ভালোভাবে জীবনযাপন করেন, কিন্তু পরবর্তীতে নিঃস্ব হয়ে যান। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বৈদেশিক আমদানি, শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং অন্যান্য বিনিয়োগে ব্যবহার করে তাদের যথাযথ অংশ প্রদান করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ব্যবসায়ীদের আবেদনে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হলে দেশের উন্নয়ন বিলম্বিত হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা শামসুল ইসলাম মঞ্জুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আবদুল জলিল খান, মজিবুর রহমান, বুয়েটের অধ্যাপক মো. ইকবাল হাসান, মোকলেছুর রহমান, কায়সার আহমেদ, ফিরোজ মোল্লা, জাহিদ মোমিন চৌধুরী, শাহ মো. সাইফুর রহমান, সাংবাদিক এ কে এম মোহসীন, মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যেন কোনোভাবেই প্রতারিত বা শোষণের শিকার না হন, সেদিকে সরকারকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। তারা বলেন, বাংলাদেশের অফিস-আদালত এবং দূতাবাসগুলোতে লালফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে, প্রবাসীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস কার্যকর করতে হবে এবং দেশের ভূমিদস্যুদের হাত থেকে প্রবাসীদের রক্ষা করতে হবে।
আলোচনায় প্রবাসীদের জন্য কার্যকর ও বাস্তবসম্মত ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু, দেশে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে প্রবাসীদের সম্পদ ও অধিকার সুরক্ষা এবং প্রবাসী সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া প্রবাসীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রবাসে শ্রমিক পাঠানোর আগে তাদের কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের শুধু কারিগরি দক্ষতাই নয়, বরং মানসিকভাবেও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) গ্লোবাল বাংলাদেশি এক্সপেট্রিয়েটস সামিট-২০২৬ এর উদ্যোগে 'প্রবাসীদের অধিকার এবং আজ ও আগামীর ভাবনা' শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আব্দুল মঈন খান বলেন, প্রবাসীরা তাদের পরিবারের কাছে অর্থ পাঠান। পরিবারগুলো এই অর্থ ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করে, কোনো বিনিয়োগে নিয়োজিত করে না। রাষ্ট্র এসব অর্থ বিনিয়োগে ব্যবহার করে প্রবাসীদের অংশ দিতে পারে। এ ধরনের কাজ সফলভাবে করতে পারলে বিদেশিদের কাছে হাত পাততে হবে না।
মঈন খান আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশে ফিরে প্রথম কয়েক বছর ভালোভাবে জীবনযাপন করেন, কিন্তু পরবর্তীতে নিঃস্ব হয়ে যান। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বৈদেশিক আমদানি, শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং অন্যান্য বিনিয়োগে ব্যবহার করে তাদের যথাযথ অংশ প্রদান করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ব্যবসায়ীদের আবেদনে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হলে দেশের উন্নয়ন বিলম্বিত হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা শামসুল ইসলাম মঞ্জুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আবদুল জলিল খান, মজিবুর রহমান, বুয়েটের অধ্যাপক মো. ইকবাল হাসান, মোকলেছুর রহমান, কায়সার আহমেদ, ফিরোজ মোল্লা, জাহিদ মোমিন চৌধুরী, শাহ মো. সাইফুর রহমান, সাংবাদিক এ কে এম মোহসীন, মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যেন কোনোভাবেই প্রতারিত বা শোষণের শিকার না হন, সেদিকে সরকারকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। তারা বলেন, বাংলাদেশের অফিস-আদালত এবং দূতাবাসগুলোতে লালফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে, প্রবাসীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস কার্যকর করতে হবে এবং দেশের ভূমিদস্যুদের হাত থেকে প্রবাসীদের রক্ষা করতে হবে।
আলোচনায় প্রবাসীদের জন্য কার্যকর ও বাস্তবসম্মত ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু, দেশে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে প্রবাসীদের সম্পদ ও অধিকার সুরক্ষা এবং প্রবাসী সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া প্রবাসীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবিও উত্থাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন