সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক রশিদ লতিফ আবারও পাকিস্তানকে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, তাহলে টুর্নামেন্টের মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইউটিউব চ্যানেল কট বিহাইন্ড-এ দেওয়া এক মন্তব্যে লতিফ বলেন, ‘পাকিস্তান না গেলে সবকিছুই উল্টে যাবে। তখন আর এটাকে বিশ্বকাপ বলা যাবে না। অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারতের মতো ম্যাচ হতে পারে, কিন্তু বিশ্বকাপের মান ধ্বংস হয়ে যাবে। কার্যত বিশ্বকাপটাই শেষ হয়ে যাবে।’
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় লতিফ জানান, ‘এসব বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পাকিস্তান হয়তো ইতিমধ্যেই সরে দাঁড়ানোর পথে এগোচ্ছে। আজকের সংবাদ সম্মেলন দেখে মনে হয়, তারা সেই পথেই হাঁটছে। যখন তিনি বলেন যে তিনি সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন, আমার মনে হয় সেই আলোচনা ইতিমধ্যেই হয়েছে। এখন শুধু বিষয়টি টেনে নেওয়া হচ্ছে।’
বাংলাদেশের অবস্থানকে প্রশংসা করে লতিফ বলেন, ‘ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অটল থেকে স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান দেখিয়েছে। তারা পরিষ্কার ও স্বচ্ছ এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এখন পাকিস্তানেরও কথা বলা বন্ধ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।’
লতিফ অভিযোগ করেন, ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনে রাজনীতির প্রভাব রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রভাবাধীন। তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান না খেললে টুর্নামেন্টে বৈশ্বিক আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে, বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে। কমপক্ষে ৫০ শতাংশ দর্শক ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে চান। পাকিস্তান না থাকলে সেই আগ্রহ অনেকটাই কমে যাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগ দেয়, বিষয়টি আলোচনার টেবিলে আসবে। কিন্তু বাংলাদেশ একা থাকলে তারা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে। পাকিস্তানও সরে দাঁড়ালে, সেটা আর বিশ্বকাপ থাকবে না, ওটা শুধু আইপিএল হয়ে যাবে।’
রশিদ লতিফ উল্লেখ করেন, ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ ক্রিকেটের বাইরেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে সেটা বিশ্বজুড়ে বড় খবর হবে।’ এছাড়া ক্রিকেটের বৈশ্বিক সম্প্রচার আয়ের ক্ষেত্রে ভারতের বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘ভাবুন তো, যদি পাকিস্তানের বদলে উগান্ডা খেলে, তাহলে আহমেদাবাদে ভারত বনাম উগান্ডা ম্যাচে কি স্টেডিয়াম পূর্ণ হবে?’

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক রশিদ লতিফ আবারও পাকিস্তানকে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, তাহলে টুর্নামেন্টের মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইউটিউব চ্যানেল কট বিহাইন্ড-এ দেওয়া এক মন্তব্যে লতিফ বলেন, ‘পাকিস্তান না গেলে সবকিছুই উল্টে যাবে। তখন আর এটাকে বিশ্বকাপ বলা যাবে না। অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারতের মতো ম্যাচ হতে পারে, কিন্তু বিশ্বকাপের মান ধ্বংস হয়ে যাবে। কার্যত বিশ্বকাপটাই শেষ হয়ে যাবে।’
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় লতিফ জানান, ‘এসব বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পাকিস্তান হয়তো ইতিমধ্যেই সরে দাঁড়ানোর পথে এগোচ্ছে। আজকের সংবাদ সম্মেলন দেখে মনে হয়, তারা সেই পথেই হাঁটছে। যখন তিনি বলেন যে তিনি সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন, আমার মনে হয় সেই আলোচনা ইতিমধ্যেই হয়েছে। এখন শুধু বিষয়টি টেনে নেওয়া হচ্ছে।’
বাংলাদেশের অবস্থানকে প্রশংসা করে লতিফ বলেন, ‘ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অটল থেকে স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান দেখিয়েছে। তারা পরিষ্কার ও স্বচ্ছ এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এখন পাকিস্তানেরও কথা বলা বন্ধ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।’
লতিফ অভিযোগ করেন, ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনে রাজনীতির প্রভাব রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রভাবাধীন। তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান না খেললে টুর্নামেন্টে বৈশ্বিক আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে, বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে। কমপক্ষে ৫০ শতাংশ দর্শক ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে চান। পাকিস্তান না থাকলে সেই আগ্রহ অনেকটাই কমে যাবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগ দেয়, বিষয়টি আলোচনার টেবিলে আসবে। কিন্তু বাংলাদেশ একা থাকলে তারা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে। পাকিস্তানও সরে দাঁড়ালে, সেটা আর বিশ্বকাপ থাকবে না, ওটা শুধু আইপিএল হয়ে যাবে।’
রশিদ লতিফ উল্লেখ করেন, ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ ক্রিকেটের বাইরেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে সেটা বিশ্বজুড়ে বড় খবর হবে।’ এছাড়া ক্রিকেটের বৈশ্বিক সম্প্রচার আয়ের ক্ষেত্রে ভারতের বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘ভাবুন তো, যদি পাকিস্তানের বদলে উগান্ডা খেলে, তাহলে আহমেদাবাদে ভারত বনাম উগান্ডা ম্যাচে কি স্টেডিয়াম পূর্ণ হবে?’

আপনার মতামত লিখুন