ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ৫০ শরণার্থী নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ৫০ শরণার্থী নিহত
চিত্র : প্রতিকী

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে অর্ধশত শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার মাল্টার একটি পত্রিকা প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক যাত্রীর বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরটি জানাচ্ছে আনাদোলু।

টাইমস অফ মাল্টার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় জীবিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, গত শুক্রবার তিউনিশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে তাদের নৌকাটি। শনিবার মধ্যরাতে এটি ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর তিনি ২৪ ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। মাল্টাগামী একটি কার্গোজাহাজ তাকে উদ্ধার করে মাল্টার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে শুয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান, একমাত্র তিনি ছাড়া নৌকাটির ৫০ জন আরোহী সাগরে ডুবে মারা গেছেন।

মাল্টার সশস্ত্র বাহিনী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, তিউনিসিয়া থেকে ছেড়ে আসা নৌকা থেকে একজনকে উদ্ধার করে পরে চিকিৎসার জন্য মাল্টায় নিয়ে আসা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, একজন জীবিত ব্যক্তিকে মাল্টার পানিসীমায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতি বছর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে ভ্রমণকালে হাজার হাজার শরণার্থী ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা যান।

অভিবাসীদের সঙ্গে কাজ করা একটি সংগঠন জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ভূমধ্যসাগরে প্রায় ১৫০ জন নিখোঁজ হয়েছে, যার মধ্যে তিউনিসিয়া থেকে ছেড়ে আসা কমপক্ষে তিনটি নৌকা রয়েছে।

এদিকে, ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রুসহ একটি ফেরি ডুবে গেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে ৪৩ জন নিখোঁজ আছেন। গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ড বাহিনীর বাসিলান শাখার বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশ্যে ‘ত্রিশা কেরস্টিন-৩’ নামের ফেরিটি রওনা দেয়। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মকর্তারা আপাতত ডুবে যাত্রীদের উদ্ধারে মনোযোগ দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা বিরল নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জন নিহত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ৫০ শরণার্থী নিহত

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে অর্ধশত শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার মাল্টার একটি পত্রিকা প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক যাত্রীর বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরটি জানাচ্ছে আনাদোলু।


টাইমস অফ মাল্টার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় জীবিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, গত শুক্রবার তিউনিশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে তাদের নৌকাটি। শনিবার মধ্যরাতে এটি ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর তিনি ২৪ ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। মাল্টাগামী একটি কার্গোজাহাজ তাকে উদ্ধার করে মাল্টার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে শুয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান, একমাত্র তিনি ছাড়া নৌকাটির ৫০ জন আরোহী সাগরে ডুবে মারা গেছেন।


মাল্টার সশস্ত্র বাহিনী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, তিউনিসিয়া থেকে ছেড়ে আসা নৌকা থেকে একজনকে উদ্ধার করে পরে চিকিৎসার জন্য মাল্টায় নিয়ে আসা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, একজন জীবিত ব্যক্তিকে মাল্টার পানিসীমায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতি বছর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে ভ্রমণকালে হাজার হাজার শরণার্থী ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা যান।


অভিবাসীদের সঙ্গে কাজ করা একটি সংগঠন জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ভূমধ্যসাগরে প্রায় ১৫০ জন নিখোঁজ হয়েছে, যার মধ্যে তিউনিসিয়া থেকে ছেড়ে আসা কমপক্ষে তিনটি নৌকা রয়েছে।


এদিকে, ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রুসহ একটি ফেরি ডুবে গেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে ৪৩ জন নিখোঁজ আছেন। গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।


বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ড বাহিনীর বাসিলান শাখার বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশ্যে ‘ত্রিশা কেরস্টিন-৩’ নামের ফেরিটি রওনা দেয়। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মকর্তারা আপাতত ডুবে যাত্রীদের উদ্ধারে মনোযোগ দিচ্ছেন।


প্রসঙ্গত, ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা বিরল নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জন নিহত হয়েছিল।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ