চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকারত্ব থাকবে না। তিনি বলেন, “আমরা দেশে কোনো বেকার রাখতে চাই না। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশের সব সেক্টরে বিপ্লব ঘটবে। বন্ধ থাকা কলকারখানা চালু করা হবে। যুবসমাজকে শুধু বেকার ভাতা দিয়ে বসিয়ে রাখা নয়, বরং দক্ষ করে গড়ে তুলে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।”
শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। “আমাদের শিক্ষা হবে কর্মমুখী ও মানবিক, যা যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে,” বলেন তিনি।
ন্যায়বিচার ও সাম্যের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, “আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে দেশের প্রেসিডেন্ট এবং একজন সাধারণ শ্রমিকের জন্য আইনের বিচার হবে সমান। রাস্তার একজন ভিক্ষুকও যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন।”
তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজি, ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে আমরা চিরতরে লালকার্ড দেখাতে চাই।”
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ পারভেজ এবং চুয়াডাঙ্গা-০২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. রুহুল আমিনের হাতে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন।
চুয়াডাঙ্গা-০২ আসনের প্রার্থী মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন।
এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা হিন্দু শাখা আহ্বায়ক মনরঞ্জন দাস, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের যোদ্ধা মাহফুজ হোসেন, এবি পার্টির প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব মোল্লা মো. ফারুক এহসান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকারত্ব থাকবে না। তিনি বলেন, “আমরা দেশে কোনো বেকার রাখতে চাই না। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশের সব সেক্টরে বিপ্লব ঘটবে। বন্ধ থাকা কলকারখানা চালু করা হবে। যুবসমাজকে শুধু বেকার ভাতা দিয়ে বসিয়ে রাখা নয়, বরং দক্ষ করে গড়ে তুলে উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।”
শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। “আমাদের শিক্ষা হবে কর্মমুখী ও মানবিক, যা যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে,” বলেন তিনি।
ন্যায়বিচার ও সাম্যের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, “আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে দেশের প্রেসিডেন্ট এবং একজন সাধারণ শ্রমিকের জন্য আইনের বিচার হবে সমান। রাস্তার একজন ভিক্ষুকও যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন।”
তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজি, ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে আমরা চিরতরে লালকার্ড দেখাতে চাই।”
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ পারভেজ এবং চুয়াডাঙ্গা-০২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. রুহুল আমিনের হাতে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন।
চুয়াডাঙ্গা-০২ আসনের প্রার্থী মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন।
এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা হিন্দু শাখা আহ্বায়ক মনরঞ্জন দাস, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের যোদ্ধা মাহফুজ হোসেন, এবি পার্টির প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব মোল্লা মো. ফারুক এহসান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন