মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব হুসেইন ইব্রাহিম তাহারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের শীর্ষ পর্যায়ের দুই কর্মকর্তা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানী বেইজিংয়ে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই বৈঠকে অংশ নেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি ও দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ইরানে সহিংস আন্দোলন ও সে প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা নিয়ে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আঞ্চলিক নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি চলমান সংকটগুলো সামরিক পথে নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যে কোনো পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে সংযম ও ধৈর্য প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে একটি বিমানবাহী রণতরীসহ একাধিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। এদিকে ইরান সতর্ক করে বলেছে, দেশটির ওপর যে কোনো ধরনের সামরিক আক্রমণকে তারা যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে।
চীন দীর্ঘদিন ধরেই যে কোনো দেশের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে। বেইজিংয়ের অবস্থান হলো—আঞ্চলিক সংঘাত ও বৈশ্বিক উত্তেজনা সামরিক শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। এই প্রেক্ষাপটেই ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকটিকে কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব হুসেইন ইব্রাহিম তাহারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের শীর্ষ পর্যায়ের দুই কর্মকর্তা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানী বেইজিংয়ে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই বৈঠকে অংশ নেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি ও দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ইরানে সহিংস আন্দোলন ও সে প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা নিয়ে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আঞ্চলিক নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি চলমান সংকটগুলো সামরিক পথে নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যে কোনো পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে সংযম ও ধৈর্য প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে একটি বিমানবাহী রণতরীসহ একাধিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। এদিকে ইরান সতর্ক করে বলেছে, দেশটির ওপর যে কোনো ধরনের সামরিক আক্রমণকে তারা যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে।
চীন দীর্ঘদিন ধরেই যে কোনো দেশের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে। বেইজিংয়ের অবস্থান হলো—আঞ্চলিক সংঘাত ও বৈশ্বিক উত্তেজনা সামরিক শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। এই প্রেক্ষাপটেই ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকটিকে কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আপনার মতামত লিখুন